নেগেটিভ ইক্যুইটির লেনদেন সময় বাড়ল

62

পুঁজিবাজারের ঋণাত্মক মূলধনধারী (Negative Equity) বিনিয়োগ হিসাবে শেয়ার কেনা-বেচার সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত এই হিসাবে লেনদেন করা যাবে।

আগামী ১৮ আগস্ট এই হিসাবে লেনদেনের সুযোগ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সূত্রে জানা গেছে, দুই একদিনের মধ্যে এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) প্রতিনিধিরা মার্জিন রুলসের সংশ্লিষ্ট ধারা শিথিল করে ফের সময় বাড়ানোর আবেদন করে। গত রোববার এ আবেদন নিয়ে বিএসইসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয়।

বৈঠকে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমানসহ উর্ধ্বতন কর্মকতারা, ডিবিএ সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী ও বিএমবিএ সভাপতি মোঃ ছায়েদুর রহমানসহ ৩ সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উভয় সংগঠনের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা গতকাল প্রথমে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে পৃথক বৈঠক করেন। বিএমবিএর সভাপতি ছায়েদুর রহমান ও ডিবিএর সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

মার্জিন ঋণ হলো শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহককে (বিনিয়োগকারী) ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের দেওয়া ঋণ। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে শেয়ারবাজারে ধস নামার পর গত জুন পর্যন্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩১ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ১০৯ ব্রোকারেজ হাউসের বিতরণ করা মার্জিন ঋণে মূলধনী লোকসানের পরিমাণ প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা। এসব বিও হিসাবে অন্তত ২৫ হাজার কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার রয়েছে। সাত বছর ধরে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা স্থগিত করে এসব অ্যাকাউন্টে শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ দেওয়া হলেও তা খুব বেশি কাজে আসেনি বলে কমিশন কর্মকর্তারা জানান। অন্যদিকে বাজার-সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিপুল পরিমাণ ঋণ আটকে থাকায় বাজারে তারল্য সংকট রয়েছে।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here