ঢাকা, বুধবার, ২০ জুন ২০১৮, ৬ আষাঢ় ১৪২৫


অনিশ্চয়তার মধ্যে খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের ভবিষ্যৎ

২০১৮ মার্চ ১৩ ০৯:০৮:১৫


বিজনেস আওয়ার (খুলনা) প্রতিবেদকঃ এক সময়ের কর্মচাঞ্চল্য রাষ্ট্রায়ত্ত্ব খুলনা হার্ডবোর্ড মিল, বর্তমানে নীরব ও নিস্তব্ধ। শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের পদচারণায় মুখরিত ছিল গোটা মিল এলাকা। কিন্তু এখন সুনসান। চার বছর পার হলেও কর্তৃপক্ষ চালু করতে পারেনি মিলটি। আর তাই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের ভবিষ্যৎ। দিনে দিনে নষ্ট হচ্ছে মিলের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ও মালামাল।

জানা গেছে, ২০১১ সালের ২১শে এপ্রিল চলতি মূলধনের অভাবে কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য মিলটি বন্ধ ঘোষণা করে। পরে কয়েক দফা চেষ্টার পর বিসিআইসির মাধ্যমে ২০১৩ সালের ১৫ই আগষ্ট মিলটি চালু করা হয়।

ওই বছরই ২৫শে নভেম্বর মিলটি আবারও অর্থ সংকটে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অবিক্রীত আড়াই কোটি টাকার হার্ডবোর্ড ও মিলের কোটি কোটি টাকার সম্পদ অযত্ন ও অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মিলের শ্রমিকরা জানান, জরাজীর্ণ মেশিন নিয়ে এই মিল চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এটি বন্ধ হয়ে যাবার পর শ্রমিকরা কাজ না পেয়ে বেকার দিন কাটাচ্ছেন। মিলটি পুনরায় চালু করা দাবি তাদের।

এদিকে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, কোন নোটিশ ছাড়াই মিল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে মিল থেকে বের করে দিয়েছিল। এরপর মন্ত্রীর আশ্বাস সত্বেও গত সাড়ে চার বছরেও চালু হয়নি মিলটি।

হার্ডবোর্ড মিল বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক মোল্লা ফরিদ আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, তিনি যদি একটু শিল্প মন্ত্রণালয়কে বলেন বা নির্দেশ দেন তাহলে কিন্তু এক সময়ের লাভজনক এই প্রতিষ্ঠানটি রক্ষা করা সম্ভব।'

হার্ডবোর্ড মিলের উপ-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. নুরুল্লা বাহার বলেন, মিলটি দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ রয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা বিস্তারিত কোন সিদ্ধান্ত পাইনি। সিদ্ধান্ত পেলে ইনশাল্লাহ পুনরায় আবার চালু করা সম্ভব হবে।

খুলনা হার্ডবোর্ড মিলটি বন্ধের সময় ২শ’ ৪২টি পদের বিপরীতে ২শ’ ৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তা কর্মরত ছিল।


বিজনেস আওয়ার / ১৩ মার্চ ২০১৮ / এমএএস

উপরে