ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫


একই দিনে ঢাকা ও কুমিল্লার আদালতে হাজিরের নির্দেশ

২০১৮ মার্চ ১৩ ১৭:৩২:৩৬

বিজনেস আওয়ার ডেস্কঃ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দুটি মামলায় একই দিনে ঢাকা ও কুমিল্লার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে খালেদা জিয়াকে আগামী ২৮ মার্চ পুরান ঢাকার বকশীবাজারের পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেয়া হয়।

মঙ্গলবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় এ আদেশ দেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দ্বিতীয় মামলাটিও করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এদিকে ২৮ মার্চ বিএনপি নেত্রীকে কুমিল্লার ৫ নম্বর আমলি আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়।

যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা মেরে ৮ জনকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় সোমবার এ নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাইন বিল্লাহ।

এদিন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড নিয়ে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এর পর বিএনপি নেত্রীর কারামুক্তির দিনক্ষণ নিয়ে জল্পনা চলছিল।

কিন্তু এর মধ্যেই জানা যায়, বাসে পেট্রলবোমা হামলা মামলায় গুলশান থানার ওসি আবু বকর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছেন।

পরে বিকালে বিচারক মুস্তাইন বিল্লাহ কুমিল্লার এ মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

জানা গেছে, সোমবার কুমিল্লার ৫নং আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাইন বিল্লাহ বিএনপি চেয়ারপারসনকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশসহ ২৮ মার্চ তাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ (পিডব্লিউ) দেন।

এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম জয়নব বেগম আট বাসযাত্রীকে হত্যার দায়ে করা এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ৪৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ২০ দলীয় জোটের অবরোধ চলাকালে চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে বাসে পেট্রলবোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে আট যাত্রী দগ্ধ হয়ে মারা যান। এ সময় আহত হন আরও ২০ জন।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। ওই দিন থেকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তিনি বন্দি আছেন।

এর এক মাস পাঁচ দিন পর সোমবার খালেদা জিয়ার চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতের এ আদেশের পর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানান, নতুন কোনো মামলায় গ্রেফতার না দেখালে জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর পরই তিনি মুক্তি পাবেন।

এর মধ্যে মঙ্গলবার সকালে খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত চেয়ে দুদক ও অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর চেম্বার আদালতে পৃথক আবেদন করা হয়।

বিজনেস আওয়ার/ আর আই

উপরে