ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫


যেখানে হাসার কথা নয়, সেখানেও হেসে ফেলছেন! কীভাবে থামাবেন এই হাসি-রোগ?

২০১৮ মার্চ ১৩ ২১:৩৩:১০

বিজনেস আওয়ার ডেস্কঃ পাচ্ছে হাসি হাসছি তাই। কিন্তু আপনি ভালমতোই জানেন, সব জায়গায় সব সময়ে হাসা যায় না। গম্ভীর মিটিং। আপনার হাসি পাচ্ছে। পাশের বাড়িতে তুমুল ঝগড়া। আপনি থামাতে গিয়ে হেসে ফেলছেন। আপনার ভাইঝির বিয়ের সম্বন্ধ এসেছে। পাত্রের বাবা গম্ভীর ভাবে বসে আছেন। আপনি ফ্যাক করে হেসে ফেললেন।

এই রকম ভাবে পরীক্ষার হলে, সিরিয়াস সিনেমা দেখতে গিয়ে, রসগোল্লা খেতে গিয়ে হেসে ফেলছেন, এমনকী বাবার বকুনি খেয়েও হেসে ফেলছেন। এই হাসির রোগ থেকে আপনি মুক্তি চান। কিন্তু তা তো ঘটছেই না। বরং আপনার হাসি আপনার পাশের জনকে প্রভাবিত করছে। তিনিও বে-জায়গায়, বে-টাইমে খ্যাক খ্যাক করে হেসে ফেলছেন।

কীভাবে থামাবেন এই হাসি-রোগ? ব্রিটিশ মনোবিদ ডেভিড রবসন জানাচ্ছেন, এমন অহেতুক হাসি আপনাকে পরে বিষণ্ন করে তুলতে পারে। পরে মনে হতে পারে, এমন বিসদৃশ হাসি না হাসলেই চলত। রবসন এই হাসি-রোগের হাত থেকে মুক্তির কিছু চটজলদি টোটকা বাতলেছেন। এখানে রইল সেগুলির কথা।

• অকারণে অস্থানে হেসে ফেলার সময়ে মনে রাখুন, জায়গাটা আপনার হাসির পক্ষে প্রশস্ত কি না। চার পাশে তাকান। মনে করুন আপনি কেন সেখানে এসেছেন। মনে রাখতে চেষ্টা করুন সেখানে আপনার ভূমিকাটাই বা কী।

• নিজেকেই নিজে চিমটি কেটে হাসি চাপার টোটকাটা সব দেশে সব জাতের মধ্যেই রয়েছে। রবসনের মতে। এতে কিন্তু ভাল কাজ হয়।

• প্রবল হাসির সময়ে হাসি চাপতে হলে দুঃখের স্মৃতি মনে আনার টোটকাটাও প্রাচীন। কিন্তু এতে সব সময়ে কাজ না-ও হতে পারে। সেই সময়ে কোনও শারীরিক যন্ত্রণার কথা ভাবলে হাসি প্রশমিত হতে পারে।

• কোনও সভা-সমিতিতে গুরুগম্ভীর পরিবেশে হঠাৎ হাসির দমক উথলে এলে চারপাশের লোকজনকে লক্ষ করুন। তাঁরা গম্ভীর থাকলে সেই গাম্ভীর্য আপনার মধ্যে সংক্রমণের চেষ্টা করুন।

• অতিরিক্ত মাত্রায় হাসির দমক এলে দম বন্ধ রেখে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। কিন্তু সাবধান! এই পদ্ধতি অনেক সময়ে বিপদ ডেকে আনতে পারে। বেধড়ক বিষম খাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় এতে।

এত কিছুতে কাজ না হলে সেই স্থান ত্যাগ করার চেষ্টা করুন। পরে ভাববেন আপনার উপস্থিতি অন্যের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে কি না। এতেও কাজ হবে।

বিজনেস আওয়ার/ আর আই

উপরে