ঢাকা, বুধবার, ২০ জুন ২০১৮, ৬ আষাঢ় ১৪২৫


অনলাইনে কেনাকাটায় দিনদিন বাড়ছে অভিযোগ

২০১৮ মার্চ ১৪ ০৯:১৬:৪৫


বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ নাগরিক ব্যস্ততা বা এক শহরের এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সময় মতো যেতে না পারার কারণেই ক্রেতার চোখ এখন ভার্চুয়াল শপিংমলগুলোতে। যেখানে পাওয়া যায় দরকারি প্রায় সব ধরনের ও মানের পণ্য। যার কারনে দিনদিন বাড়ছে অনলাইনে কেনাকাটার পরিসর। তবে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য হাতে না পেয়ে অনেকেই অভিযোগ করছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে।

একজন নারী ভোক্তা বলেন, এমনিতেই ট্রাফিক জ্যাম থাকে। আর সারাদিন কাজের পর এতোটা এ্যানার্জি থাকে না যে বাইরে গিয়ে নিজের জন্য শপিং করবো। তাই অনলাইন আমার জীবনটাকে সহজ করছে।

তবে, চুক্তি মতো পণ্য হাতে না পাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে অনেকের। যারা দ্বারস্থ হচ্ছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ ভোক্তা বলেন, ওরা বলেছিলো যে, নয়-দশ দিনের মধ্যে দিবে। পরে সেটা পেয়েছি ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ দিন পর। যেটা পেয়েছি সেটার কোয়ালিটিও খুব খারাপ ছিলো।

এ ব্যাপারে দারাজ ডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, অভিযোগ ছোট হোক বা বড় হোক, সেটাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।

একটা সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রি বা ওয়ার্ল্ড ই-কমার্স, আমি বলবো না যে, কোন অভিযোগ আসবে না। তবে আমরা চেষ্টা করি অভিযোগ যতো কম থাকে এবং অভিযোগগুলো যতো দ্রুত সমাধান করে দিতে পারি।

পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিশ্রুত সেবা না দেয়ায় গেল এক বছরে ৮টি অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৩৩টি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এর মধ্যে আইন মোতাবেক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে অভিযোগকারীদের।

এ ব্যাপারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাচ্ছি অনেক। তারা যদি প্রতিশ্রুত পণ্য সময়মত সরবরাহ না করে তাহলে আমরা তাদের এই ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবো।

ই-কর্মাস ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের তথ্য মতে, বর্তমানে সেবা চালু রেখেছে সাড়ের ৭শ'র বেশি অনলাইন শপ, আর ফেসবুকে পেজ খুলে পণ্য বিক্রি করছে আরও ১০ হাজারের বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

বিজনেস আওয়ার / ১৪ মার্চ ২০১৮ / এমএএস

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ

উপরে