ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫


নগদ লভাংশের দাবি জিএসপি’র শেয়ারহোল্ডারদের

২০১৮ মার্চ ১৪ ১৬:২৫:৫২

মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান : আগামী বছর নগদ লভ্যাংশ দেবার দাবি করেন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ারহোল্ডাররা।তাহলে কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা বোঝা যাবে।

বুধবার (১৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবন হলে কোম্পানির ২৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডাররা এ দাবি জানান। কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে পূর্ব নির্ধারিত সময়ে এজিএমের কার্যক্রম শুরু হয়।

শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির ঘোষিত ২৩.৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ নিয়ে এজিএমে বিভিন্ন অভিমত তুলে ধরেন। তারা আগামী বছরগুলোতে এ লভ্যাংশ প্রদানের গতি ধরে রাখার প্রত্যাশা করেন। তবে বোনাস শেয়ার দিয়ে নয়, আগামীতে নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার দাবি করেন তারা।

জিএসপি ফাইন্যান্সের এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে ২০১৭ বছরের জন্য পূর্ব ঘোষিত ২৩.৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ অনুমোদিত হয়েছে।

এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ বছরে জন্য লভ্যাংশ ছাড়াও আরো পূর্ব ঘোষিত ৩টি আলোচ্যসূচি (এজেন্ডা) অনুমোদিত হয়। বাকি আলোচ্যসূচিগুলো হলো- ২০১৭ বছরের আর্থিক বিবরনী অনুমোদন, যোগ্য বিধায় পরিচালক পুন:নির্বাচন, স্বতন্ত্র পরিচালক নির্বাচন, নিরীক্ষকও পুন:নিয়োগসহ নিরীক্ষকের পারিশ্রমিক নির্ধারন।

কোম্পানির নিরীক্ষক হিসাবে মালেক সিদ্দিকী ওয়ালিকে পুন:নিয়োগ করা হয়েছে। তার প্রারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

শেয়ারহোল্ডারদের বক্তব্যের পর কোম্পানির ভা্ইস চেয়ারম্যান বলেন, ভবিষ্যতে আরো ভাল লভ্যাংশ দেওয়ার লক্ষে কাজ করব। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য শেয়ারহোল্ডারদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির স্বত্রন্ত্র পরিচালক এটিএম শামসুল হুদা,ওয়াজিদ আলী খান পান্নি, পরিচালক মঈন ইউ হায়দার, কর্নেল এম নুরুল ইসলাম (অবসর), এ কে আবদুল মতিন, মোহাম্মেদ আবদুল জলিল, আনোয়ার বারী চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু জাফর হেদায়েতুল ইসলাম, সচিব মিজানুর রহমান প্রমুখ।

‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে(ডিএসই) ২০১২ সালে তালিকাভুক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১০৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বর্তমানে পিই রেশিও ৬.০৭। শেয়ার দর রয়েছে (১৪ মার্চ) ১৮.৬০ টাকায়।

২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে কোম্পানি শেয়ার প্রতি মুনাফা (ইপিএস)হয়েছে ২.৯৪ টাকা। আর শেয়ার প্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ২৫.২৪ টাকায়। এনওসিএফপিএস নেগেটিভ ৭.২৯ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়াররের মধ্যে ৩৫.৫৮ শতাংশ ধারন করছেন উদ্যোক্তা/পরিচালকেরা। বাকী ১৬.৩৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, ১০.৩৬ শতাংশ বিদেশি ও ৩৭.৬৭ শতাংশ শেয়ার ধারন করছেন সাধারন বিনিয়োগকারী।

বিজনেস আওয়ার/১৪ মার্চ ২০১৮/এমএজেড

উপরে