ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫

ss-steel-businesshour24
Runner-businesshour24

পুরুষের কিছু তথ্য জেনে অবাক হবেন

২০১৮ মে ১৩ ১৮:৫০:২৬

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক: নারীর থেকে পুরুষেরাই অধিক সংবেদনশীল হয়ে থাকে। কিন্তু এই পুরুষেরা এক শক্ত খোলসের মাঝে তাদের মনকে আবদ্ধ করে রাখে। তাই নারীর থেকে পুরুষকে বোঝা অধিক কঠিন, এই বেপারটি হয়তো অনেকেই জানেন না।

চলুন জেনে নিন পুরুষ সম্পর্কে এমন কিছু অজানা তথ্য-

বুদ্ধিমান নারীকে হুমকি মনে করে পুরুষ!

পুরুষের কাছে বুদ্ধিমান নারী আকর্ষণীয় বটে। তবে এমন নারীদের জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে আগ্রহী নন পুরুষেরা। এমনকি বুদ্ধিমান নারীকে নিজেদের জন্য হুমকি মনে করেন তাঁরা। যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

গবেষণাতে দেখা গেছে, জীবনসঙ্গী নির্বাচনে পুরুষের বিশ্বাস ও আচরণের মধ্যে বিস্তর ফারাক। বুদ্ধিমান নারীকে আকর্ষণীয় দাবি করে এমন পুরুষকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, আপনি কখনো এমন কোনো নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তবে উত্তরটি হ্যাঁ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই অল্প। এমনকি বুদ্ধিমান নারীকে পুরুষেরা ‘নারী’ হিসেবেও মানতে নারাজ। ইউনিভার্সিটি অব বাফালো, ক্যালিফোর্নিয়া লুথারান ইউনিভার্সিটি ও টেক্সাস ইউনিভার্সিটির একদল মনোবিদ গবেষণাটি চালায়। এ সময় ১০৫ জন পুরুষকে বুদ্ধিমান নারীরা সঙ্গী হিসেবে কেমন তা বলতে বলা হয়।

এক পলকে নারীর চোখ দেখে পুরুষ

প্রথম দেখায় প্রেম, ভালোলাগা। কী দেখে? উত্তর হচ্ছে-চোখ। পুরুষরা এক ঝলকে নারীর চোখে খুঁজে ফেরে সব সৌন্দর্য। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পণ্য নির্মাতা মিউরিন আই ড্রপের করা এক জরিপে এ তথ্য ওঠে এসেছে। এক খবরে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের ডেইলি এক্সপ্রেস অনলাইন।

যুক্তরাজ্যের এক হাজার পুরুষ এক জরিপে জানিয়েছেন, নারীর চোরাবালি চোখ কিংবা পাখির বাসার মতো দুটি চোখের দিকে এক ঝলক দেখেই আকৃষ্ট হন তাঁরা। জরিপে অংশ গ্রহণকারীদের অধিকাংশ মত দিয়েছেন যে, শরীরের দিকে নয় কোনো নারীর চোখের দিকে একবার দেখেই তাদের ভালো লাগার বিষয়টি নির্দিষ্ট করে ফেলেন। অর্থাৎ, নারীর চোখেই রয়েছে আকর্ষণের জাদু।

আয়নায় নারীর থেকে বেশি পুরুষ নিজেকে দেখে

সাজগোজ করতে গিয়ে আয়নার সামনে মেয়েরা বেশি সময় খরচ করে—এমন অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু যুক্তরাজ্যে নতুন এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, পুরুষেরাই তুলনামূলক বেশিবার আয়নার দিকে তাকায়। পুরুষের জীবনধারা-বিষয়ক অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যাভাজ এক হাজার ব্রিটিশ পুরুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখতে পায়, তারা নিজের চেহারা দেখার জন্য দিনে গড়ে ২৩ বার আয়নার দিকে তাকায়। কিন্তু নারীরা একই উদ্দেশ্যে আয়না দেখে ১৬ বার।

চওড়া মুখের পুরুষ হতে পারে প্রতারক

‘আর্কাইভস অফ সেক্সুয়াল বিহেইভিয়র’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় আরও বলা হয়, “যে পুরুষের মুখের আদল চারকোনা কিংবা চওড়া তাদের যৌনক্ষমতা বেশি, বহু নারীর সঙ্গে অস্থায়ী শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে তাদের আপত্তি কম, এমনকি সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করতেও বিবেকের তাড়না তারা অনুভব করেন কম।” তবে শুধু পুরুষ নয় নারীদের ক্ষেত্রে এই গবেষণা বলছে, “ছোট অথচ চওড়া চেহারার নারীদের যৌনক্ষমতা বেশি। আর শারীরিক সম্পর্কে জড়াতে তাদের আড়ষ্টতা কম।”

গবেষষণাটির প্রধান গবেষক, কানাডার ওন্টারিওতে অবস্থিত নিপিসিং ইউনিভার্সিটি’র স্টিভেন আর্নকি বলেন, “এই তথ্যগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, একজন মানুষের মুখের গড়ন তার যৌনাকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বহন করে।” এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত আগের একটি পর্যালোচনা যুক্ত করে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু মানসিক ও আচরণভিত্তিক বিষয় মানুষের মুখের দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই পদ্ধতির নাম ‘ওয়াইড-টু-হাইট রেশিও’ বা এফডব্লিউএইচআর।

নারীর যে বিষয়গুলো পুরুষ খেয়াল করে

হাসলে মুক্তো ঝড়ে। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বা সেলফি তুলতে গিয়ে কৃত্রিম বাঁকা হাসি নয়, নারীর সহজাত, সুন্দর হাসি অনেক পুরুষকেই আকর্ষণ করে। পুরুষের আড্ডায় সৌন্দর্যের বর্ণনায় নারীর হাসিই সবসময়ই প্রাধান্য পেয়ে থাকে।

নারীর লাবন্য পুরুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। তার শরীরের ঘ্রাণের মতো অনেক সূক্ষ্ম বিষয়ও অনেক পুরুষ খেয়াল করে থাকেন। অনেকে মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করেন, একজন নারী কোন পারফিউম বা শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। ভিন্ন ভিন্ন দিনে ঘ্রাণের পার্থক্য বা মাত্রাও অনেকে খুব মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করে থাকেন। এতে নারীর ব্যক্তিত্বও ফুটে উঠে। সৌন্দর্যের বর্ণনায় নারীর কাঁধও বেশ গুরুত্ব বহন কেরে। প্রতিটি কাজ করার সময় কাঁধের নানামুখী ব্যবহার খুব সূক্ষ্মভাবে খেয়াল করে থাকেন পুরুষেরা। কাঁধের ওপর ঘন কালো চুল পড়ে থাকা খেয়াল করেন তাঁরা। কিংবা লজ্জা বা কৌতুক করার সময় মুখ লুকাতে কাঁধের নাটকীয় ব্যবহারও পুরুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

পঞ্চাশ'র পর

পঞ্চাশ পেরোনোর পর হরমোনের তারতম্যের কারণে পুরুষের প্রস্টেট নামের গ্রন্থির কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে। একসময় গ্রন্থিটি আকারে বড় হয়ে গিয়ে তৈরি করে নানা সমস্যা। যেমন: স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরে ধীরে প্রস্রাব হওয়া, প্রথমে খানিকটা অসুবিধা ও পরে কিছুক্ষণ ফোঁটায় ফোঁটায় প্রস্রাব হওয়া ইত্যাদি। এ ছাড়া হঠাৎ প্রস্রাব আটকে যেতে পারে। কখনো কখনো প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তও আসতে পারে।

বিজনেস আওয়ার/১৩ মে/ আর এইচ

উপরে