ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫


কত রাকাআত এ তারাবিহ নামাজ ?

২০১৮ মে ১৭ ২০:৩১:১৮

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক: আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম নামাজ। নামাজকে মুমিনের মেরাজ বলা হয়। আর তারাবিহ তথা কিয়ামুর রমজান প্রসঙ্গে তো প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণাই দিয়েছেন যে, কিয়ামুর রমজান তথা তারাবিহ আদায় করবে আল্লাহ তাআলা তার বিগত জীবনে গোনাহ মাফ করে দেবেন।

তারাবিহ নামাজ কত রাকাআত পড়বেন

তারাবিহ নামাজের রাকাআত সংখ্যা নিয়ে চলছে পক্ষ-বিপক্ষ বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি। যার কোনোটিই উচিত নয়। নামাজ আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সেতুবন্ধনের অন্যতম মাধ্যম। সুতরাং তারাবিহ নামাজ ১১ রাকাআত, ১৩ রাকাআত, ৮ রাকআত এবং ২০ রাকাআত নিয়ে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি না করাই উত্তম।

নামাজ যে যত বেশি পড়বে; তার ফায়েদা ও উপকারিতা এবং আল্লাহ সঙ্গে বান্দার সেতুবন্ধনও তত বেশি মজবুত হবে।

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো
তারাবিহ নামাজ নয়, কেউ কেউ ফরজ নামাজই আদায় করে না; নামাজ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কারো কোনো চিন্তা-ফিকিরও নেই; বরং তারাবিহ নামাজ ৮ রাকাআত পড়া জরুরি নাকি ২০ রাকাআত পড়া জরুরি, তা নিয়েই বেশি ব্যস্ত মানুষ।

পবিত্র কাবা শরিফ, মসজিদে নববি, রিয়াদের সবচেয়ে বড় মসজিদ কিং ফয়সাল মসজিদসহ বিশ্বের অনেক দেশ ও মসজিদে ২০ রাকাআত তারাবিহ পড়া হয়ে থাকে। আবার একই শহরের অন্য মসজিদে ৮ রাকাআত তারাবিহ পড়া হয়ে থাকে, সেখানে কোনো মত বিরোধ নেই।

পবিত্র বায়তুল্লাহ ও মসজিদে নববিতে কেউ ২০ রাকাআতে অংশ গ্রহণ করছে; আবার কেউ কেউ ৮ রাকাআত পড়ে তারাবিহ থেকে বিরত থাকছে। এটা নিয়ে সেখানেও কোনো দ্বিধা-বিভক্তি নেই।

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে ৮ রাকাআত এবং ২০ রাকাআত নিয়েই চলছে বেশ বাড়াবাড়ি। এ অবস্থায় যারা সাধারণত নামাজ পড়তে অনাগ্রহী, তারা হতাশা এবং দুটানায় নামাজই ছেড়ে দেয়ার মত অবস্থা। যা সাধারণ মানুষকে নামাজ থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।

বিজনেস আওয়ার/১৭ মে/ আর এইচ

উপরে