ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫


হার্ট অ্যাটাক হলে করণীয়

২০১৮ জুন ২৮ ২০:৪৮:৩৯

বিজনেস আওয়ার ডেস্কঃ হার্ট অ্যাটাক একটি জটিল সমস্যা। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান ইত্যাদি হার্ট অ্যাটাকের কারণ। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা শুরু হয়, বুকে এক ধরনের চাপা অনুভূত হয়। পাশাপাশি ব্যথাটি কাঁধ, বাঁ হাতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ঘামও হতে পারে এ সময়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে হার্ট বিকল হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ:

# বুকে ক্রমাগত ব্যথা, ছড়িয়ে পড়তে পারে চোয়াল, কাঁধ, দাঁত, গলা, হাতে।

# হঠাৎ পালস রেট খুব বেড়ে যাওয়া বা একেবারে কমে যাওয়া।

# অতিরিক্ত ঘাম

# বুকের মাঝখানে অস্বস্তিকর চাপ অনুভব করা, ভারি ভারি ভাব।

# শ্বাস ছোট হয়ে আসা।

# মাথা ঘোরা, জ্ঞান হারানো।

# বমি বমি ভাব।

এসব লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি।

হার্ট অ্যাটাক হলে রোগী তো কিছু করতে পারবেন না। তাই তার আশপাশের মানুষের বা পরিবারের লোকজনের তাৎক্ষণিকভাবে কি কিছু করার রয়েছে?

এসময় ঘাবড়ে না গিয়ে বরং মাথা ঠাণ্ডা রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। ঠাণ্ডা মাথায় রোগীকে যতটা ফার্স্ট এইড দিতে পারবেন ঝুঁকি তত কমবে। খেয়াল রাখবেন যেন রোগীর সঙ্গে সারাক্ষণ কেউ থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখতে না পারলে তার মৃত্যু অবধারিত। কাজেই হার্ট অ্যাটাক করলে প্রাথমিক চিকিৎসায় এমন কিছু কাজ করুন যাতে ডাক্তারের কাছ না নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত তিনি বেঁচে থাকেন।

ডাক্তার আসার আগে কীভাবে ফার্স্ট এইড দেবেন:

# প্রথমেই রোগীকে রিল্যাক্সড অবস্থায় নিয়ে আসুন। দেওয়ালে হেলান দিয়ে মাটিতে বসান। ঘাড়, মাথা কাঁধ হেলান দিয়ে হাঁটু মুড়ে রোগীকে বসালে রক্তচাপ কমবে।

# রোগীর যদি অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি না থাকে তবে অ্যাসপিরিন দিন। এই সময় ৩০০ গ্রাম অ্যাসপিরিন চিবিয়ে খেতে পারলে ধাক্কা অনেকটাই সামলানো যাবে।

# এই সময় রোগী শক পেতে পারেন। জীবনের ঝুঁকি রয়েছে বুঝতে পারলে শক পাওয়া খুব স্বাভাবিক। তাই ক্রমাগত শ্বাস, পালস রেট ও রোগী কেমন সাড়া দিচ্ছেন তা চেক করতে থাকুন।

# রোগী যদি অজ্ঞান হয়ে যায় তবে সিপিআর-এর সাহায্য নিন।

বিজনেস আওয়ার/২৮জুন/আর আই

উপরে