ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫


রপ্তানিতে নগদ সহায়তা পাবে রানার

২০১৮ সেপ্টেম্বর ১২ ১৮:২৩:১৫

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : দেশের একমাত্র মোটরসাইকেল রপ্তানিকারক রানার অটোমোবাইলস নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা পাবে। গত ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ি, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্যে রপ্তানিতে নগদ সহায়তা বা প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নেপালে মোটরসাইকেল রপ্তানির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করে দেশীয় মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রানার অটোমোবাইলস। ময়মনসিংহের ভালুকায় রানার কারখানায় রপ্তানির শুভ সূচনা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ওই সময় তিনি মোটরসাইকেল রপ্তানির ওপর নগদ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য ২০০০ সালে মোটরসাইকেল আমদানি করে বাজারজাত শুরু করে রানার। কয়েক বছর পর প্রতিষ্ঠানটি মোটরসাইকেলের পার্টস সংযোজন শুরু করে। আর ২০০৭ সালে ময়মনসিংহের ভালুকায় রানার বাংলাদেশে প্রথম মোটরসাইকেলের কম্পোনেন্টস্ তৈরির মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করে, যা বুয়েট এবং বিআরটিএ অনুমোদন দেয়। পরবর্তী সময় ২০১১ সালে রানার পানচিং, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং, অ্যাসেম্বলিং, টেস্টিং ইত্যাদি মেশিনারিজ স্থাপনের মাধ্যমে মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী হিসেবে সরকারি অনুমোদন লাভ করে। পূর্ণাঙ্গ মোটরসাইকেল কারখানা হিসেবে ২০১২ সালে পুরোদমে উৎপাদন শুরু করে। ইতিমধ্যে ভালুকায় স্থাপিত কারখানায় মোটরসাইকেলের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ যথা : চেসিস, রিয়ার ফোরক, ফুয়েল ট্যাঙ্ক, মেইন স্ট্যান্ড, সাইড স্ট্যান্ড, ফুট পিগ ইত্যাদি তৈরি এবং ইঞ্জিন সংযোজন করা হচ্ছে। এসব যন্ত্রাংশ রং করার জন্য অত্যাধুনিক পেইন্ট শপ স্থাপন করা হয়েছে।

বিজনেস আওয়ার/১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮/আরএ

উপরে