sristymultimedia.com

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


‘শেয়ারবাজারকে মূলধনের প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে হবে’

১১:৫৫এএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে শিল্প খাতের মূলধনের প্রধান উৎস হিসেবে শেয়ারবাজারকে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য উৎপাদনশীল খাতে নতুন নতুন কোম্পানি গড়ে তোলা বা বিদ্যমান ভাল কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের মাত্রা বাড়াতে হবে। এজন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পদ্ধতি পর্যালোচনা করে আইপিও প্রক্রিয়া সহজে ও স্বল্প সময়ে সম্পন্ন করা গেলে বিভিন্ন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত হবে।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফারস হোটেলে অনলাইন বিজনেস পোর্টাল বিজনেস আওয়ার টোয়েন্টিফোর ডটকম ও ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত ‘দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নে শেয়ারবাজারের গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধে জিটিভি’র প্রধান প্রতিবেদক রাজু আহমেদ এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিবিএ’র সভাপতি শাকিল রিজভী।

রাজু আহমেদ বলেন, শেয়ারবাজারের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো পুঁজির সংস্থান করা। শেয়ারের বিনিময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুঁজিকে একত্রিত করে উৎপাদনশীল খাতের বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধন যোগান দেয়াই শেয়ারবাজারের মূল উদ্দেশ্য। পুঁজি সরবরাহের এই পাইপলাইনকে শক্তিশালী করতে একটি সুসংগঠিত সেকেন্ডারি মার্কেট অবশ্যম্ভাবী। সেকেন্ডারি মার্কেটে জমে উঠা পুঁজিকে উৎপাদনশীল খাতে প্রবাহিত করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরো গতিশীল করা সম্ভব।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শেয়ারবাজার :
জাতীয় অর্থনীতির ধারাবাহিক অগ্রগতি বাজারকে শক্তিশালী করার ভিত্তি তৈরি করেছে। কিন্তু জিডিপির আকারের সঙ্গে বাজার মূলধনের তুলনা করলে দেখা যায়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশের তুলনায় অর্থনীতিতে অবদান রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার পিছিয়ে আছে। অনেক দেশে বাজার মূলধন জিডিপির আকারের চেয়ে বেশি হলেও বাংলাদেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধন এখনো জিডিপির ২০ শতাংশের নিচে রয়ে গেছে। তুলনামূলক এই পরিসংখ্যান থেকে প্রমাণিত হয়, দেশের অর্থনৈতিক সামর্থ্য অনুযায়ী পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নেয়ার অফুরন্ত সুযোগ রয়ে গেছে।

আরো পড়ুন...

**শর্ত পরিপালন হলেই দ্রুত আইপিও অনুমোদন

**‘আলোচনার মাধ্যমে ভালো কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে হবে’

**'শক্তিশালী শেয়ারবাজার গঠনে ভাল কোম্পানি আনতে হবে'

**'বাংলাদেশ ব্যাংকের শেয়ারবাজারবান্ধব আচরন জরুরী'

**অর্থ সংগ্রহে উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজারের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করবে না

**‘দীর্ঘমেয়াদী পুঁজি শেয়ারবাজার থেকে নেয়া উচিত’


মূলধনের উৎস শেয়ারবাজার :
জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে শিল্প খাতের মূলধনের প্রধান উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য উৎপাদনশীল খাতে নতুন নতুন কোম্পানি গড়ে তোলা বা বিদ্যমান ভাল কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্য পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের মাত্রা বাড়াতে হবে। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেকেন্ডারি মার্কেটের অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে বাজার থেকে মূলধন স্থানান্তরের মাত্রা বাড়ছে না। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, কোনো কোনো বছর আইপিও বা রাইট শেয়ারের মাধ্যমে মূলধন উত্তোলন বাড়লেও, এই প্রবণতা স্থিতিশীল হচ্ছে না।

বাংলাদেশে এখনো পুঁজির উৎস হিসেবে উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজারের চেয়ে ব্যাংক ঋণের উপর বেশি নির্ভরশীল। সামগ্রিকভাবে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের প্রবণতা শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের চেয়ে অনেক বেশি। গত কয়েক বছরে শেয়ারবাজারের অবস্থা আগের তুলনায় শক্তিশালী হলেও এখান থেকে মৌলিক খাতে মূলধন স্থানান্তরের প্রবণতা অনেক কম।

২০১৮ সালে শেয়ারবাজারে প্রাথমিক শেয়ার ও রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি ৬৫৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা সংগৃহিত করেছে। এরমধ্যে ১টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ মোট ১৪টি সিকিউরিটিজ প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে ৫৪৬ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করে। একই সময়ে ব্যাংক থেকে শিল্প খাতে মেয়াদী ঋণ ও অগ্রিম হিসেবে নেয়া হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ মূলধন যোগানে শেয়ারবাজারের অংশীদারিত্ব ছিল ১ শতাংশেরও কম।


প্রতিবেশি দেশ ভারতের সঙ্গে তুলনা করলে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে বাংলাদেশ যোজন যোজন পিছিয়ে আছে। ২০১৩ সাল থেকে ২০১৭ সাল। এই পাঁচ বছরে ভারতে শুধু মূলধারার আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ১৮০০ কোটি ডলারের সমপরিমান মূলধন সংগৃহিত হয়েছে। একই সময়ে আইপিও’র মাধ্যমে বাংলাদেশে শেয়ারবাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার। শুধু ২০১৭ সালে ভারতে আইপিও’র মাধ্যমে ৭৫ হাজার ৫০০ কোটি রূপি সংগৃহিত হয়েছে। একই সময়ে ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণ ও অগ্রিমের পরিমান ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৭০০ কোটি রূপি। অর্থাৎ ওই বছর ভারতে মূলধন যোগানে শেয়ারবাজারের অংশীদারিত্ব ছিল ২৫ শতাংশ।

আরো পড়ুন...

**শর্ত পরিপালন হলেই দ্রুত আইপিও অনুমোদন

**‘আলোচনার মাধ্যমে ভালো কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে হবে’

**'শক্তিশালী শেয়ারবাজার গঠনে ভাল কোম্পানি আনতে হবে'

**'বাংলাদেশ ব্যাংকের শেয়ারবাজারবান্ধব আচরন জরুরী'

**অর্থ সংগ্রহে উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজারের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করবে না

**‘দীর্ঘমেয়াদী পুঁজি শেয়ারবাজার থেকে নেয়া উচিত’

দীর্ঘমেয়াদী পুঁজির উৎস শেয়ারবাজার :

অর্থায়ন বলতে কোনো প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পে বিনিয়োগের লক্ষ্যে তহবিল সংগ্রহ, এর ব্যবস্থাপনা ও বণ্টনকে বুঝায়। যে কোনো উদ্যোগের সূচনা এবং পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনের উৎস নির্বাচন অর্থায়ন ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কারণ ভিন্ন ভিন্ন উৎস থেকে মূলধন সংগ্রহের পদ্ধতি, ব্যয়, মেয়াদ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আলাদা। তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে সুবিধাজনক উৎস থেকে মূলধন বা তহবিল সংগ্রহ করা হলে প্রতিষ্ঠানের জন্য মুনাফা অর্জনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বাংলাদেশে উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাংক ঋণ নিয়ে শিল্প বা ব্যবসা পরিচালনার প্রবণতা থাকলেও সামগ্রিকভাবে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ সব দিক থেকেই লাভজনক। কারণ ব্যাংক ঋণ হয় স্বল্প বা মধ্যমেয়াদী। এতে নির্ধারিত হারে সুদ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থাকে। লাভ বা লোকসান- যাই হোক না কেনো, ব্যাংকের নির্দিষ্ট সুদ ও কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। অন্যদিকে পুঁজিবাজার থেকে খুব সহজেই দীর্ঘমেয়াদী পুঁজি সংগ্রহ করা যায়। বার্ষিক মুনাফার উপর ভিত্তি করে লভ্যাংশ ঘোষণার সুযোগ থাকায় প্রতিষ্ঠানের উপর চাপ কম থাকে।


বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে আসার বাধ্যবাধকতা :
আমাদের দেশে বৃহৎ মূলধনী কোম্পানিগুলোর জন্য শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বিধান করেছে, কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা অতিক্রম করলে ওই কোম্পানিকে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে। আর কোনো কোম্পানি ৫০ কোটি টাকার বেশি পরিশোধিত মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করলে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর তিন বছরের মধ্যে তালিকাভুক্তির বিধান রয়েছে। অবশ্য সরকারের নির্দেশনায় বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিকে এ শর্ত থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

শেয়ারবাজারে বড় কোম্পানির অনিহা কেন?

শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করে যে কোনো কোম্পানি তাদের কার্যক্রম আরো সুসংহত করতে পারে। তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য হারে আয়কর রেয়াত সুবিধা দিয়েছে।

এরপরও অধিকাংশ কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তিতে অনিহা প্রকাশ করে আসছে। এর মূলে রয়েছে কোম্পানির উপর ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীগত মালিকানা ধরে রাখার গতানুগতিক চিন্তা। অনেক বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক কর্মকা- পরিচালনা ও বিপুল মুনাফা করলেও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভয়ে পুঁজিবাজারে আসতে চায় না।এ ধরনের প্রবণতার সঙ্গে জড়িত আছে কর ফাঁকির চিন্তা। স্বচ্ছতা এড়ানোর মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি এবং নিজেদের আয়-ব্যয়ের প্রকৃত তথ্য গোপন করার জন্যই কোম্পানিগুলো না অজুহাতে বাজারের বাইরে থাকতে চায়। এ থেকে ধারণা করা যায়, তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পাওয়া আয়কর রেয়াতের চেয়ে কর ফাঁকিতে সুবিধা বেশি পাওয়া যায়। অনেক কোম্পানি একাধিক হিসাব সংরক্ষণের মাধ্যমে কর ফাঁকির প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা করে রাখে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলধন জোগানের জন্য পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের চেয়ে তারা অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার আশ্রয় নিয়ে

আরো পড়ুন...

**শর্ত পরিপালন হলেই দ্রুত আইপিও অনুমোদন

**‘আলোচনার মাধ্যমে ভালো কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে হবে’

**'শক্তিশালী শেয়ারবাজার গঠনে ভাল কোম্পানি আনতে হবে'

**'বাংলাদেশ ব্যাংকের শেয়ারবাজারবান্ধব আচরন জরুরী'

**অর্থ সংগ্রহে উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজারের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করবে না

**‘দীর্ঘমেয়াদী পুঁজি শেয়ারবাজার থেকে নেয়া উচিত’

আইপিও প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা

শুধু উদ্যোক্তাদের অনাগ্রহ নয়, প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়ায় নানা জটিলতাও অনেক ক্ষেত্রে তাদেরকে নিরুৎসাহিত করছে। আইপিও অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রিতা অনেক কোম্পানির মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্য ব্যাহত করছে। পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের জন্য সময়ক্ষেপনের চেয়ে অনেকের কাছেই ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজসাধ্য। এ কারণে অনেক মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে অনাগ্রহী হয়ে উঠে।

একটি কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া শুরুর পর অনুমোদন নিয়ে মূলধন সংগ্রহে যথেষ্ট সময় লেগে যায়। আইপিও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র (ডকুমেন্ট) তৈরি থেকে শুরু করে প্রতিটি পদক্ষেপেই এই দীর্ঘসূত্রিতা দেখা দেয়। নির্ধারিত মূল্য (ফিক্সড প্রাইস) এবং বুকবিল্ডিং দুই পদ্ধতির ক্ষেত্রেই এই দীর্ঘসূত্রিতা দেখা যায়। তবে নানা পথ পাড়ি দিয়ে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে তুলনামূলক সময় লাগে বেশি। অনেক কোম্পানির ক্ষেত্রে দুই থেকে আড়াই বছর সময় ব্যয় হওয়ার নজিরও দেখা গেছে। অথচ প্রতিবেশি দেশ ভারতে আইপিও’র পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে ১০ থেকে ১২ সপ্তাহ।

শেয়ারবাজারকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের মূল উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যাংকিং ব্যবস্থারও ইতিবাচক সংস্কার জরুরি। ব্যাংক ঋণের খেলাপী সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধের বাধ্যবাধকতা কঠোর করা গেলে উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঋণ ফেরত না দেয়ার সংস্কৃতি কমে আসবে। বাড়বে ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের প্রবণতা।

ব্যাংকের ঋণ ব্যবস্থাপনায় কঠোর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কর ফাঁকি রোধেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে শক্তিশালী করে কোম্পানির আর্থিক হিসাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট (এফআরসি) কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে। এই আইনের আওতায় গঠিত ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলকে রাখতে হবে কঠোর ভূমিকা। আর্থিক প্রতিবেদন প্রণয়নে অনিয়ম দূর করতে পারলে বৃহৎ কোম্পানিগুলো শেয়ারবাজারমুখী হবে বলে আশা করা যায়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম খায়রুল হোসেন। এছাড়া প্রধান বক্তা হিসেবে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী, প্যানেল আলোচক হিসেবে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সাবেক সভাপতি মো: ছায়েদুর রহমান ও ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি হাসান ঈমাম রুবেল উপস্থিত ছিলেন। আর অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিজনেস আওয়ার টোয়েন্টিফোর ডটকমের উপদেষ্টা ও ওমেরা ফুয়েলস সিইও আক্তার হোসেন সান্নামাত।

বিজনেস আওয়ার/১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯/আরএ

আরো পড়ুন...

**শর্ত পরিপালন হলেই দ্রুত আইপিও অনুমোদন

**‘আলোচনার মাধ্যমে ভালো কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনতে হবে’

**'শক্তিশালী শেয়ারবাজার গঠনে ভাল কোম্পানি আনতে হবে'

**'বাংলাদেশ ব্যাংকের শেয়ারবাজারবান্ধব আচরন জরুরী'

**অর্থ সংগ্রহে উদ্যোক্তারা শেয়ারবাজারের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করবে না

**‘দীর্ঘমেয়াদী পুঁজি শেয়ারবাজার থেকে নেয়া উচিত’

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে