sristymultimedia.com

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


রাজধানীতে ঈদে মিলাদুন্নবী'র জশনে জুলুস

০৩:৪৬পিএম, ১০ নভেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। এ উপলক্ষে সারাদেশে নানা আয়োজন করেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। প্রতি বছরের মতো এবারও আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভাণ্ডারিয়ার উদ্যোগে রাজধানীতে জশনে জুলুস (র্যালি) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে জসনে জুলুস শুরু হয়। সেখান থেকে মৎস্যভবন হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে জসনে জুলুস শেষ হয়। মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানীর নেতৃত্বে মাইজভাণ্ডারীয়ার অনুসারীরা এতে অংশ নেন।

এ ছাড়া সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর এক নম্বরে জশনে জুলুস শুরু হয় এবং বাঙলা কলেজ মাঠে এসে শেষ হয়। মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানীর নেতৃত্বে মাইজভাণ্ডারিয়ার অনুসারীরা জশনে জুলুসে অংশ নেন। বিগত বছরগুলোতে এ সংগঠনটির উদ্যোগে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় জশনে জুলুসের আয়োজন করা হতো। এবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন থাকায় মিরপুরে জশনে জুলুস হচ্ছে বলে জানান দরবারের গণমাধ্যম সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম।

জশনে জুলুস শেষে সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠে আনজুমানে রহমানিয়ার মইনিয়া মাইজভাণ্ডারিয়ার উদ্যোগে শান্তি মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দরবার শরিফের সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানীর সভাপতিত্বে সমাবেশে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে প্রধান অতিথি হিসেবে এ অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন ধর্মসচিব মো. আনিছুর রহমান। উদ্বোধন শেষে বাদ এশা ওয়াজ করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান ও তেজগাঁও মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আল আযহারী।

হিজরি সনের ১২ রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা হয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস হিসেবে সারা দেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভির্যের মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বিজনেস আওয়ার/১০ নভেম্বর, ২০১৯/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

পিলার স্থাপন চলছে, দ্রুত বসবে কাঁটাতার
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়া তৈরির কাজ চলছে

উপরে