sristymultimedia.com

ঢাকা, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


পেঁয়াজ নিয়ে সুখবর দিলেন পাইকার ব্যবসায়ীরা

০৪:২৭পিএম, ১৬ নভেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : খুচরা বাজারে শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৬০-২৭০ টাকায়। এ অবস্থায় সুসংবাদ দিলেন রাজধানীর কারওয়ানবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

তারা বলছেন, গতকালকের তুলনায় আজ কয়েকটি জায়গায় পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা করে কমেছে। আগামীকালও ১০ টাকা করে কমবে। কারওয়ানবাজারের কয়েকজন পাইকারী ব্যবসায়ী এ তথ্য জানান।

এ বিষয়ে কারওয়ানবাজারে পেঁয়াজ সরবরাহকারী এক পাইকারী বলেন, আজকে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম ২২০-২৩০ টাকা চলছে। আগামীকাল ঢাকা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমতে পারে।

কারণ আজ পাবনায় প্রতিমণে ৩০০-৪০০ কমে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। পাবনার পেঁয়াজ আজ রাতের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছাবে, ভোরে এসব পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে।

কারওয়ানবাজারের এক আড়ৎদার বলেন, কিছুন অসাধু ব্যাবসায়ী পেঁয়াজ সিন্ডিকেট করে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আমাদানি করে ১০ জন কিন্তু দুজন বাজারে ছাড়ে। আর বাকি আটজনেই বেশি লাভের আশায় পেঁয়াজ গোডাউনে মুজত করে রাখে।

সরকারকে এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়ে এ ব্যবসায়ী বলেন, একজন আমদানিকারক পেঁয়াজ আমদানি করে কেজিতে ৫ বা ১০ টাকা লাভ করতে পারে, এ জন্য সরকার নীতিমালা করে দিলে ভালো হয়।

তিনি আরও বলেন, তবে আশার কথা হচ্ছে আজকে পাবনাসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় পেঁয়াজের দাম কমেছে। আশা করা যায় আগামীকাল থেকে ঢাকায় পেঁয়াজের দাম কমবে।

খুচরা বিক্রেতারা আমাদের কাছ থেকে কম দামে কিনলেও বেশি রেটেই বিক্রি করে উল্লেখ তিনি বলেন, আমাদের কাছ থেকে খুচরা বিক্রেতারা ২২০ টাকা করে পেঁয়াজ কিনলেও তারা বিক্রি করে ২৬০ টাকা, তাদের আসলে বিক্রি করা উচিত ছিল ২৩০ টাকা।

এ আড়ৎদার বলেন, আমি পাবনা, ফরিদপুর আর রাজবাড়ীর পেঁয়াজ আনি। এসব দেশি পেঁয়াজের দাম একটু বেশি থাকে। আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কিছুটা কম। আমদানি করা পেঁয়াজ কম দামে আনলেও বাজারে ছাড়ে দেরি করে।

দেশি পেঁয়াজ কবে উঠবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পাতা পেঁয়াজ উঠা শুরু করেছে। আর এ মাসের শেষের দিকেই পেঁয়াজ উঠা শুরু করবে। তখন প্রতিদিন কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমতে শুরু করবে।

কারওয়ানবাজারের আরেক আড়ৎদার বলেন, কৃষক পেঁয়াজ ধরে রাখে, দাম উঠলে বিক্রি করে। দেশের বাইর থেকে বেশি বেশি আমদানি করা সম্ভব হলে পেঁয়াজের বাজার এমনিতেই কমে আসবে।

তিনি বলেন, যদি আগেই বাণিজ্যমন্ত্রী বিভিন্ন আমদানিকারকের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিতো যে, চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ আমদানি কর এবং সে অনুযায়ী যদি আমদানি হতো তাহলে বাজারে এ অবস্থার সৃষ্টি হতো না।

এদিকে দেশে পেঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে টিসিবির মাধ্যমে সরাসরি তুরস্ক, মিসর, আফগানিস্থান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জরুরিভিত্তিতে কার্গো উড়োজাহাজে পেঁয়াজ আমদানি করছে।

মিসর থেকে কার্গো বিমানযোগে আমদানিকৃত পেঁয়াজের প্রথম চালান আগামী মঙ্গলবার ঢাকায় পৌঁছাবে বলে বাণিজ্যমন্ত্রনালয় সুত্র জানিয়েছে।

বিজনেস আওয়ার/১৬ নভেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে