ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

Bijoy-month-businesshour24

২০১৯ সালে চালু হবে পায়রা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

২০১৭ নভেম্বর ২৭ ০৪:৪২:০১

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ পটুয়াখালীর পায়রা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’র কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে প্রথম ধাপ শেষে দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে চলছে অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ। বাংলাদেশ চীনসহ বেশ কয়েকটি দেশের প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক দিনরাত কাজ করছেন। কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী ২ বছরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ করা সম্ভব হবে।

ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় দৃশ্যমান হয়েছে বয়লার-১ এর কিছু অংশ। প্রতিটি কাজেই গতানুগতিক প্রযুক্তির বাইরে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের সহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম ফয়সাল। কনস্ট্রাকশনের কাজ খুব দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। সকল কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

কেন্দ্রের বাইরে আরও ৬০০ একর জমিতে চলছে ১৩৫টি পরিবারের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আবাসন নির্মাণের কাজ। শুধু আবাসন নয় এখানে তৈরি করা হবে স্কুল,বাজার,মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ২ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিকের সঙ্গে কাজ করছেন ৬০০ চীনা ও কয়েকশ ভারতীয় ও মালয়েশিয়ান শ্রমিক।

বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের সহকারী প্রকৌশলী রাফিউর রহমান বলেন, প্রতিটি পরিবার ১২০০ বর্গফুটের একটি বাসা পাবে। এছাড়া এখানে স্কুল, হাসপাতাল ও মার্কেট হবে।

এদিকে ২৭ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে দাবি করে ২০১৯ সালের মধ্যেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। অন্যদিকে প্রকল্পটিকে গুরুত্ব দিয়ে ৫৭১ কোটি টাকার কর মওকুফ করেছে সরকার।

এখন পর্যন্ত দেশে নির্মিত বা নির্মাণাধীন কয়লা ভিত্তিক বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে ১ হাজার ২০০ থেকে শুরু করে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। তবে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যোগ হচ্ছে তরলীকৃত গ্যাস ভিত্তিক আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের সাথে যোগ করবে আরও ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর তখন দেশের সব থেকে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিণত হবে এটি।

বিজনেস আওয়ার / ২৬ নভেম্বর / এমএএস

উপরে