ঢাকা, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪


হাজার কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা

২০১৭ নভেম্বর ২৭ ১৯:০৫:৪৪

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ১০৫০ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। বন্দরে ১২ কন্টেইনার মদ, সিগারেট ও টিভি আটকের ঘটনায় এ মামলা করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দা সোমবার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেছে। এজাহার দায়ের করেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বিজয় কুমার রায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান।

ওই মামলার আসামিরা হলো- আব্দুল মোতালেব, জালাল উদ্দিন, মো. আরিফুজ্জামান, মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান, মো. এনামুল হক, ফররুখ এবং মো. রওশন আলম।

এর আগে গত ৫ ও ৬ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট ও মদ এবং অবৈধভাবে আনা ১২টি কনটেইনার জব্দ করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব কন্টেইনার ইনভেন্ট্রিকালে ১৬ হাজার ১৭০ বোতল মদ, ৩ কোটি ৮৪ লাখ শলাকা সিগারেট, ৪ হাজার ৭৪টি এলইডি টেলিভিশন ও ২৮১টি আমদানি নিষিদ্ধ পুরাতন ফটোকপি মেশিন পাওয়া যায়। ওই ১২টি কন্টেইনারের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্যের ঘোষিত মূল্য ছিল ৫০ লক্ষ টাকা। কিন্তু আটককৃত পণ্যের প্রকৃত বাজারমূল্য প্রায় ১৩৪ কোটি টাকা। পোল্ট্রি ফিডের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ঘোষণা দিয়ে এ পণ্য আমদানি করা হয়। পরে কনটেইনার খুলে কোনোটিতেই ঘোষিত পোল্ট্রি পণ্য পাওয়া যায়নি।

হিনান আনহুই এগ্রো এলসি ও এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আনে আমদানিকারক খোরশেদ আলম। ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ঘোষণায় চীন থেকে আনা চালান দুইটি খালাসের দায়িত্বে ছিল সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান রাবেয়া এন্ড সন্স। চালান দুইটি চট্টগ্রাম বন্দরে আসার এক সপ্তাহ আগে থেকে শুল্ক গোয়েন্দার একটি দল নজরদারি শুরু করে।

বিজনেস আওয়ার/২৭ নভেম্বর, ২০১৭/ এমএজেড

উপরে