বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: আগেই জানা গিয়েছিলো ২০১৯ সালেই চাঁদ ভ্রমণে মহাকাশ যানে করে নিয়ে যাওয়া হবে পর্যটক। আর আগামী বছরই বিক্রি হবে চাঁদে যাওয়ার টিকিট। এই টিকিট বিক্রি শুরু করবে অ্যামাজানের স্বত্বাধিকারী কোটিপতি জেফ বেজস। এমনটাই জানিয়েছে বেজসের স্পেস ট্যুরিজম স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ব্লু- অরিজিন।

মহাকাশে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আরো অনেক স্পেস স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান। রকেট নয়, এবার মহাকাশ যান দিয়েই ভ্রমণে যেতে পারবেন চাঁদে। মহাকাশের কক্ষপথ হয়ে চাঁদে রাখবেন পা। এমন সুযোগই এনে দিচ্ছে স্পেস ট্যুরিজম স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ব্লু - অরিজিন।

কর্তৃপক্ষ বলছে, কক্ষপথ যান 'নিউ শেফার্ড'এ করে ২০১৯ সালে প্রথম মহাকাশে যাত্রা করবে পর্যটকরা। ধারণা করা হচ্ছে চাঁদে যাওয়ার জন্য প্রতি টিকিটের দাম পড়বে ১৫ কোটি ডলার। এখন পর্যন্ত মানুষ ছাড়া এ রকেটের পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়েছে। কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারিদের নিয়ে একটি ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে তাদের।

এরইমধ্যে নিউ শেফার্ডের ক্রু ক্যাপসুল জন সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, এ ক্যাপসুল মহাকাশচারীদের পৃথিবী থেকে ৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে। এছাড়া, মিলিটারি স্যাটেলাইট লঞ্চের জন্য ১ হাজার ৩শ' কোটি ডলারের অর্ডার পেয়েছে স্পেস এক্স। ২০০০ সালে যাত্রা শুরু করে এ অ্যারোস্পেস কোম্পানি। কোম্পানিতে অর্থায়ন করে অ্যামাজানের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস।

এদিকে, চাঁদে যাওয়ার জন্য প্রায় প্রস্তুত এলোন মাস্কের `স্পেস এক্স'। স্পেস এক্সের রকেটগুলো বর্তমানে মহাকাশচারী আর কার্গো বহন করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছে দিতে সক্ষম।

যেখানে ব্লু -অরিজিনের রকেট মাত্র পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। মহাকাশ যান ছাড়াও প্রতিদ্বন্দিতা রয়েছে স্পেস এক্স আর ব্লু অরিজিনের মধ্যে। নাসা আর যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার ফোর্সের জন্য কাজ করে দুই প্রতিষ্ঠান।

এদিকে, মানুষকে মহাকাশ ভ্রমণে নিয়ে যেতে প্রস্তুত রিচার্ড ব্রানসনের ভারজিন গ্যালাটিক। সাড়ে ৬শ' টিকিট বিক্রির লক্ষ্য রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। প্রস্তুতি নিচ্ছে স্পেস অ্যাডভেঞ্চার্স এবং এক্স ক্যালিবার আলমাজ। গেলো কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভ্রমণই মহাকাশে উড্ডয়ন। এ খাতে যোগ দিয়েছে মাইক্রোসফটের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান স্পেস ফ্লাইটও।সুত্র-সময় সংবাদ।

বিজনেস আওয়ার/১১জুলাই/এমএএস