বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : এসকোয়্যার নিট কম্পোজিটের নিলামে কাট-অফ প্রাইস ৪৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। সোমবার (০৯ জুলাই) বিকাল ৫টায় শুরু হওয়া বিডিংয়ের ৭২ ঘন্টায় বা বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) বিকাল ৫টায় এই দর নির্ধারিত হয়েছে।

কোম্পানিটির নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ৯৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার। এই শেয়ার পেতে নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীরা প্রতিটি শেয়ারে সর্বোচ্চ ৫৩ টাকা থেকে ১৫ টাকা দর প্রস্তাব করেছেন। এবং মোট ৮৭৯ কোটি ৫৬ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকার দর প্রস্তাব করেছেন। তবে নিলামে বরাদ্দকৃত টাকা বিডারদের সর্বোচ্চ ৫৩ টাকা থেকে ৪৫ টাকার প্রস্তাবিত দরে এসে পূরণ হয়েছে। যে কারনে কাট-অফ প্রাইস হিসাবে ৪৫ টাকা নির্ধারন হয়েছে।

বিডিংয়ের ৫০৮ জন বিডার দর প্রস্তাব করেছেন। এরমধ্যে ৪৫ টাকা দরে সবচেয়ে বেশি ৯৪ জন বিডার দর প্রস্তাব করেছেন। এই ৯৪ জন বিডার ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৭২ হাজার ৯০০টি শেয়ার ১৮৭ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার ৬০০ টাকায় কেনার জন্য দর প্রস্তাব করেছেন। এরপরে ৩০ টাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর প্রস্তাব করেছেন ৭৩ জন বিডার এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৫৬ জন ৩৫ টাকা করে দর প্রস্তাব করেছেন।

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) কাট-অফ প্রাইসের ১০ শতাংশ কম দরে ৫৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার ইস্যু করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শেয়ার দর হয় ৪০.৫০ টাকা। তবে পাবলিক ইস্যু রুলস অনুযায়ি, আইপিওতে শেয়ার ইস্যুর ক্ষেত্রে কোন ক্ষুদ্রাংশ বা পয়সা থাকবে না। এক্ষেত্রে ক্ষুদ্রাংশ ৫০ পয়সার উপরে হলে ১ টাকা যোগ হবে, কম হলে বাদ যাবে। কিন্তু এসক্যোয়ার নিটে ডিসকাউন্ট শেশে ৫০ পয়সা হয়েছে। এক্ষেত্রে কম বা বেশি হয়নি। যাতে কোম্পানিটির আইপিও দর ৪০ নাকি ৪১ টাকা, সে বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এসকোয়্যার নিট কম্পোজিট লিমিটেড শেয়ারবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এরমধ্যে বিডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ ৯৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এই বরাদ্দকৃত টাকার উপরে বিডিংয়ের মাধ্যমে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারিত হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটির বিডিংয়ের অনুমোদন দেয়।

শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলনযোগ্য টাকা দিয়ে এসকোয়্যার নিটের ব্যবসা সম্প্রসারণ, ভবন নিমার্ণ, ডাইং ও ওয়াশিং প্লান্টের জন্য যন্ত্রপাতি কেনা হবে।

কোম্পানিটির চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে (জুলাই ১৭-মার্চ ১৮) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ২.৫১ টাকা। আর চলতি বছরের ৩১ মার্চ শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাড়িঁয়েছে ৪৮.৭৪ টাকা।

উল্লেখ কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিডে। আর রেজিস্ট্রার টু দ্য ইস্যুর দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

বিজনেস আওয়ার/১২ জুলাই, ২০১৮/আরএ