আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘একাত্তরে যাদের জন্মও হয়নি, আদালত তাদেরও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালতের কারণে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ করা যায়নি। এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে? এ জন্য দায়ী এসকে সিনহা।’

সব মুক্তিযোদ্ধার কবর একই ডিজাইনে পাকা করে সংরক্ষণের ঘোষণা দেন তিনি। ‘আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের এবং জুলাই থেকে সব মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিনাখরচে সব ধরণের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।’যোগ করেন তিনি।

আগামী নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধাদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, পাকিস্তানিরা এবং রাজাকার-আলবদররা যাতে বলতে না পারে, দেশে কেউ গণহত্যার শিকার হননি, মা-বোনদের উপর অত্যাচার করা হয়নি, -সে জন্য সারাদেশের গণকবর, যুদ্ধস্থান, বদ্ধভূমিসহ মুক্তিযুদ্ধের সব স্মৃতিচিহ্ন একই আদলে সংরক্ষণ করা হবে।’

পরে পদুরবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফকির সাহাবউদ্দিন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম মিন্টু, মুক্তাগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সরকার, সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল হাই আকন্দ প্রমুখ।

বিজনেস আওয়ার/ রিয়াদুল ইসলাম