ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এক মাস আগেই সেনাপ্রধানের সতর্কবার্তা

  • পোস্ট হয়েছে : ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • 17

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক: সেনাবাহিনীর প্রতি আক্রমণাত্মক বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান এক মাস আগে জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বলেছিলেন, “একটি সাধারণ বিষয় আমি লক্ষ্য করেছি, সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানের প্রতি কিছু মানুষের বিদ্বেষ। তবে আমি আজ পর্যন্ত এর কারণ খুঁজে পাইনি।”

সেনাপ্রধান আরও বলেন, “আমরা একমাত্র বাহিনী, যারা আপনারা জন্য কাজ করে যাচ্ছি, যারা দেশের সুরক্ষার জন্য সব সময় প্রস্তুত। আমাদের প্রতি আক্রমণ করবেন না, আমাদের উৎসাহিত করুন, উপদেশ দিন। আমরা ভালো উপদেশ গ্রহণ করব এবং একসঙ্গে দেশের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই।” তবে সেনাপ্রধানের সেই আহ্বান সত্ত্বেও ঐক্য বিনষ্টকারী শক্তির প্রচেষ্টা থামেনি।

কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট দীর্ঘদিন ধরে সেনাপ্রধান সম্পর্কে কটূক্তি ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ, গত বৃহস্পতিবার রাতে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে “ক্যান্টনমেন্টের চাপ” নিয়ে বিস্ময়কর বক্তব্য তুলে ধরেন, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে হাসনাতের এই মন্তব্য তাঁর দলের অনেক সদস্যই সমর্থন করেননি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেনাপ্রধান এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেশ ও জাতির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং রাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে। দেশে এখন এক কঠিন এবং জটিল পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এমন অবস্থায়, সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে কোনো পক্ষের আক্রমণাত্মক বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনভিপ্রেত ঘটনা বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।

বিজনেস আওয়ার/ ২৪ মার্চ / রহমান

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:
ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার মেইলে তথ্য জমা করুন

এক মাস আগেই সেনাপ্রধানের সতর্কবার্তা

পোস্ট হয়েছে : ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক: সেনাবাহিনীর প্রতি আক্রমণাত্মক বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান এক মাস আগে জানিয়েছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বলেছিলেন, “একটি সাধারণ বিষয় আমি লক্ষ্য করেছি, সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানের প্রতি কিছু মানুষের বিদ্বেষ। তবে আমি আজ পর্যন্ত এর কারণ খুঁজে পাইনি।”

সেনাপ্রধান আরও বলেন, “আমরা একমাত্র বাহিনী, যারা আপনারা জন্য কাজ করে যাচ্ছি, যারা দেশের সুরক্ষার জন্য সব সময় প্রস্তুত। আমাদের প্রতি আক্রমণ করবেন না, আমাদের উৎসাহিত করুন, উপদেশ দিন। আমরা ভালো উপদেশ গ্রহণ করব এবং একসঙ্গে দেশের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই।” তবে সেনাপ্রধানের সেই আহ্বান সত্ত্বেও ঐক্য বিনষ্টকারী শক্তির প্রচেষ্টা থামেনি।

কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট দীর্ঘদিন ধরে সেনাপ্রধান সম্পর্কে কটূক্তি ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ, গত বৃহস্পতিবার রাতে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে “ক্যান্টনমেন্টের চাপ” নিয়ে বিস্ময়কর বক্তব্য তুলে ধরেন, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে হাসনাতের এই মন্তব্য তাঁর দলের অনেক সদস্যই সমর্থন করেননি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেনাপ্রধান এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেশ ও জাতির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং রাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে। দেশে এখন এক কঠিন এবং জটিল পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এমন অবস্থায়, সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে কোনো পক্ষের আক্রমণাত্মক বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনভিপ্রেত ঘটনা বলে বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।

বিজনেস আওয়ার/ ২৪ মার্চ / রহমান

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান: