1. [email protected] : Asim : Asim
  2. [email protected] : anis : anis
  3. [email protected] : Admin : Admin
  4. [email protected] : Nayan Babu : Nayan Babu
  5. [email protected] : Polash : Polash
  6. [email protected] : Rajowan : Rajowan
  7. [email protected] : Riyad : Riyad
করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

করোনাকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন

  • পোস্ট হয়েছে : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিষেধক বের হয়নি। খুব দ্রুত সময়ে যে এ ভাইরাসের প্রতিষেধক বের হবে তারও কোনও নিশ্চিত নেই। এ অবস্থায় করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার অন্যতম অবলম্বন হলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো।

চিকিৎসকরা বলছেন, সঠিক পুষ্টি না পেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর তা বিশেষভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। এজন্য শরীরচর্চার পাশাপাশি কিছু খাবার নিয়মিত খেতে হবে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ করবে।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ করা ছয়টি খাবার :

আম :
আম পুষ্টিগুণে ভরপুর, যা শরীরের ভিটামিনের অভাব পূরণের পাশাপাশি কর্মশক্তি যোগায়। এ ছাড়া রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি, যা শরীরে শক্তি তৈরি করে। আমের আয়রন, আঁশ, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি ও খনিজ উপাদান শরীর সুস্থ সবল রাখতে সাহায্য করে। ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে।

কাঁচা আমে ৯০ মাইক্রোগ্রাম এবং পাকা আমে ৮৩০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে এবং দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে।

লেবু :
লেবু আকারে ছোট ফল হলেও পুষ্টিগুণেও ভরপুর। লেবুর উচ্চ ভিটামিন, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যেকোনো ভাইরাসজনিত ইনফেকশন যেমন, ঠাণ্ডা, সর্দি, জ্বর কমাতে লেবু খুব কার্যকারী। যারা মাইল্ড অ্যাজমায় ভুগছেন, লেবুর রস তাদের জন্য ওষুধের বিকল্প হিসেবেই কাজ করবে।

যারা খাবারে যথেষ্ট পটাশিয়াম গ্রহণ করেন না, তারা সহজেই বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগে আক্রন্ত হয়ে পড়েন। লেবুর রসে যথেষ্ট পরিমান পটাশিয়াম রয়েছে, যা হাইপারটেনশন কমাতে সহায়তা করে। যাদের হালকা শ্বাসকষ্ট আছে, তারা নিয়ম করে খাবারের আগে এক চামচ লেবুর রস খেতে পারেন।

কমলা ও মাল্টা :
কমলালেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি৷ প্রতি ১০০ গ্রাম কমলালেবুর মধ্যে ৫০ মিলিগ্রামই ভিটামিন সি থাকে৷ স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য এই ফল শুধু খেতেই মজা নয়, এতে রয়েছে খুবই কম ক্যালোরি৷ এক গ্লাস কমলার রস প্রতিদিন সকালে পান করলে দিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ হয়ে যাবে৷

শশা :
শশায় ভিটামিন সি, বিটা-ক্যারোটিন, ম্যাঙ্গানিজ, ফ্ল্যাভেনয়েডস, ট্রিটারপেনেস, লিগনান নামের পলিফেনল অক্সিডেটিভ রয়েছে, যা স্ট্রেস কমাতে, শরীরের ব্যাড কোলেস্টেরল কমাতে এবং রক্তে সুগারের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

টক দই :
এতে আছে প্রচুর পরিমান ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যা হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক। টক দইয়ের ব্যাকটেরিয়া অত্যন্ত উপকারী। এটা শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে এবং উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

এতে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা কোষ্টকাঠিন্য দূর করে ও ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে। যারা দুধ খেতে পারেন না বা দুধ যাদের হজম হয় না, তারা অনায়াসেই টক দই খেতে পারেন। কারণ টক দইয়ের আমিষ দুধের চেয়ে সহজপাচ্য। ফলে কম সময়ে এটি হজম হয়।

পুদিনা :
পুদিনা পাতায় প্রচুর ঔষধি গুণ রয়েছে। এই গাছটির কাণ্ড ও পাতা উপকারি। পুদিনায় রোজমেরিক অ্যাসিড নামের এক ধরনের উপাদান থাকে। এটি প্রাকপ্রদাহী পদার্থ তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাজমা হয় না।

বিজনেস আওয়ার/১৩ জুন, ২০২০/এ

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:
এ বিভাগের আরো সংবাদ