ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করলো চীন

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • 41

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক: তাইওয়ান নিয়ে জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে চীন। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বেইজিং এ তথ্য জানিয়েছে। গত সপ্তাহে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি সংসদে বলেন, তাইওয়ানে সশস্ত্র হামলা হলে সমষ্টিগত আত্মরক্ষা নীতির আওতায় জাপান সেখানে সেনা পাঠাতে পারে।

তাকাইচি বলেন, যদি তাইওয়ানে জাহাজ, সামরিক শক্তি বা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে তা জাপানের টিকে থাকার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চীন সব সময় দাবি করে আসছে, তাইওয়ান তাদের ভূখণ্ডের অংশ এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যেতে পারে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইডং বেইজিংয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূত কেনজি কানাসুগিকে তলব করে তাকাইচির মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর আপত্তি জানিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “চীনের ঐক্য প্রক্রিয়ায় কেউ হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করলে চীন কঠোর জবাব দেবে।”

চীন বৃহস্পতিবারই বলেছিল যে তারা তাকাইচির মন্তব্য “কখনও সহ্য করবে না” এবং জাপানকে অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানায়। তবে তাকাইচি সোমবার সংসদে জানান, তিনি বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন না এবং এটি টোকিওর পূর্বের অবস্থানের সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদিও তিনি ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উদাহরণ না দেওয়ার কথা বলেন।

জাপানের ২০১৫ সালের নিরাপত্তা আইন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সমষ্টিগত আত্মরক্ষা অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেয়, বিশেষত যখন জাপানের অস্তিত্ব ঝুঁকিতে পড়ে।

সূত্র: এএফপি

বিজনেস আওয়ার/ ১৪ নভেম্বর / হাসান

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করলো চীন

আপডেট সময় ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক: তাইওয়ান নিয়ে জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে চীন। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বেইজিং এ তথ্য জানিয়েছে। গত সপ্তাহে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি সংসদে বলেন, তাইওয়ানে সশস্ত্র হামলা হলে সমষ্টিগত আত্মরক্ষা নীতির আওতায় জাপান সেখানে সেনা পাঠাতে পারে।

তাকাইচি বলেন, যদি তাইওয়ানে জাহাজ, সামরিক শক্তি বা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে তা জাপানের টিকে থাকার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চীন সব সময় দাবি করে আসছে, তাইওয়ান তাদের ভূখণ্ডের অংশ এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যেতে পারে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইডং বেইজিংয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূত কেনজি কানাসুগিকে তলব করে তাকাইচির মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর আপত্তি জানিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “চীনের ঐক্য প্রক্রিয়ায় কেউ হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করলে চীন কঠোর জবাব দেবে।”

চীন বৃহস্পতিবারই বলেছিল যে তারা তাকাইচির মন্তব্য “কখনও সহ্য করবে না” এবং জাপানকে অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানায়। তবে তাকাইচি সোমবার সংসদে জানান, তিনি বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন না এবং এটি টোকিওর পূর্বের অবস্থানের সঙ্গেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদিও তিনি ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতির উদাহরণ না দেওয়ার কথা বলেন।

জাপানের ২০১৫ সালের নিরাপত্তা আইন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সমষ্টিগত আত্মরক্ষা অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেয়, বিশেষত যখন জাপানের অস্তিত্ব ঝুঁকিতে পড়ে।

সূত্র: এএফপি

বিজনেস আওয়ার/ ১৪ নভেম্বর / হাসান