করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
১৬৪
৩৩
১৭
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৩,৪৯,৮৭৭
৭৪,৮২০
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬


ডিআরইউ’র আয় ও ব্যয় কমেছে

০৫:১২পিএম, ২৯ নভেম্বর ২০১৮

রেজোয়ান আহমেদ : ঢাকায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ২০১৮ সালে আয় ও ব্যয় কমেছে। তবে ব্যয় তুলনামূলক বেশি কমেছে। যাতে সংগঠনটির আয়ের চেয়ে ব্যয় কম হয়েছে।

২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর শেষ হওয়া হিসাব বছরে সংগঠনটির আয় হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা। যার পরিমাণ আগের বছর ছিল ২ কোটি ৪০ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এ হিসাবে আয় কমেছে ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকার বা ২ শতাংশ।

অন্যদিকে সংগঠনটিতে ২০১৮ সালে মোট ২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। যার পরিমাণ আগের বছর ছিল ২ কোটি ৪৮ লাখ ৩ হাজার টাকা। এ হিসাবে ব্যয় কমেছে ১৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বা ৮ শতাংশ।

সংগঠনটিতে ২০১৭ সালে আয়ের চেয়ে ৭ লাখ ৩২ হাজার টাকা বেশি ব্যয় হয়েছিল। তবে ২০১৮ সালে আয় কমলেও উদ্বৃত্ত হয়েছে ৭ লাখ ৮ হাজার টাকা।

সাংবাদিকদের অধিকার আদায়, পেশাগত মান উন্নয়ন, সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়াসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে ডিআরইউ। এ ছাড়াও ডিআরইউতে সদস্যদের স্বল্পমূল্যে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। এ খাতে প্রতি বছরই বড় ধরনের ভর্তুকি দিতে হয় সংগঠনটিকে।

অন্যান্য বছরের ন্যায় ২০১৮ সালেও সদস্যদের দুপুরের খাবার বা আপ্যায়নে ডিআরইউ থেকে বড় ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। এ বছর ডিআরইউতে দুপুরের খাবারবাবদ ৪৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। আর এই ব্যয়ের বিপরীতে আয় হয়েছে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে ৫৩ শতাংশ ভর্তুকি দিয়েছে ডিআরইউ।

সংগঠনের আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে— হল ভাড়া, ক্যাফে খাবার বিক্রয়, বিজ্ঞাপন, অনুদান ইত্যাদি।

আর্থিক প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০১৭ সালে ডিআরইউ অনুদান থেকে ১ কোটি ২৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা, হল ভাড়া থেকে ২৯ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ও বিজ্ঞাপন থেকে ২২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আয় করেছে।

অনুদানবাবদ প্রাপ্ত ১ কোটি ২৫ লাখ ১৩ হাজার টাকার মধ্যে সাধারন অনুদানবাবদ ৪৬ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, পিকনিকের জন্য ২৪ লাখ ৫৬ হাজার টাকা, খেলাধুলার জন্য ১১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, বার্ষিক সাধারন সভার (এজিএম) জন্য ১১ লাখ টাকা, ইফতার মাহফিল ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর জন্য ১০ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এবং বাংলা নববর্ষের জন্য ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা অন্যতম।

তবে বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ বা ১১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা কমিশন বাবদ ব্যয় হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৮ সালে ডিআরইউ পিকনিক উপলক্ষে ২১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ব্যয় করেছে।

সব মিলিয়ে আয়ের বিপরীতে ২০১৮ সালে ডিআরইউ’র ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ফলে ব্যয়ের চেয়ে ৭ লাখ ৮ হাজার টাকা বেশি আয় হয়েছে। এর মাধ্যমে সংগঠনটিতে চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর নিট সম্পদের পরিমাণ দাড়িঁয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এরমধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ হিসাবে ৪৬ লাখ ৪ হাজার টাকা, অগ্রিম বীমা বাবদ ১৩ লাখ ৮ হাজার টাকা, মাসিক বেনিফিট ডিপোজিট স্কিমে ৬১ লাখ ৬ হাজার টাকা, ব্যাংকে ১৬ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও নগদ ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকা রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি সম্পদের মধ্যে ৩৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকার ভবন রয়েছে। এ ছাড়া ৫ লাখ ৬৭ হাজার টাকার আসবাবপত্র, ২ লাখ ২০ হাজার টাকার কম্পিউটার, ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ১ লাখ ১৩ হাজার টাকার ইলেকট্রিক্যাল ইক্যুইপমেন্টসহ মোট ৪৬ লাখ ৪ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে।

ডিআরইউ’র ক্যান্টিনে দুপুরে ডিমের তরকারির সঙ্গে ডাল ও ভাতের দাম ১০ টাকা। মাছ ও ভাত ১৫ টাকা। এ ছাড়া মাংস, ডাল ও ভাত ২৫ টাকা। বিভিন্ন রকমের ভর্তা বা ভাজি মাত্র ৫ টাকা। কেবলমাত্র সদস্যরাই এই দামে দুপুরে খেতে পারেন।

বছরের ব্যবধানে স্টাফদের পেছনে ডিআরইউ’র ৬ লাথ ২৯ হাজার টাকা বা ১৬ শতাংশ ব্যয় বেড়েছে। ২০১৭ সালে ডিআরইউ’র বেতন বাবদ ব্যয় হয় ৪০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, যা ২০১৮ সালে বেড়ে হয়েছে ৪৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

ডিআরইউ’র ৩টি ভবন রয়েছে। তবে নিজস্ব জমিবাবদ কোনো সম্পত্তি নেই।

বিজনেস আওয়ার/২৯ নভেম্বর, ২০১৮/আরএ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে চিত্র সাংবাদিকের আত্মহত্যার চেষ্টা
আমার মৃত্যুর জন্য সময় টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ দায়ী

উপরে