ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬


আসছে বিনিয়োগবান্ধব নতুন মুদ্রানীতি

২০১৯ জানুয়ারি ০৮ ০৭:৩১:৩৩

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক:একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হয়েছে। এখন সময় সামনে এগিয়ে চলার। দেশের বাজারে কতটা বিনিয়োগ হবে এবং প্রবৃদ্ধি কতটা হবে সে বিষয়ে মুদ্রানীতিতে ইঙ্গিত থাকে। তাই সামনের দিনগুলোয় বিনিয়োগ বাড়ানোই এবারের মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হবে বলে ধরা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের এবং বছরের প্রথমার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে চলতি মাসেই। এ বিষয়ে গতকাল গুলশানে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। বৈঠকে অর্থনীতিবিদরা বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে গভর্নরকে বিভিন্ন পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে এক্ষেত্রে কী কী চ্যালেঞ্জ আছে ও তা উত্তরণের বিষয়েও আলোচনা করেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) অর্জনের জন্য এবারের মুদ্রানীতিতেও দিকনির্দেশনা থাকবে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা বা এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।

গত ৩১ জুলাই ঘোষিত চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে ডিসেম্বর ২০১৮ পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছিল ১৬ দশমিক আট শতাংশ। এই হার পূর্বের মুদ্রানীতিতেও একই ছিল। সরকারি ঋণের প্রাক্কলন ছিল ১০ দশমিক চার শতাংশ। এছাড়া সামগ্রিকভাবে অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ, যা জানুয়ারি-জুলাই মেয়াদের মুদ্রানীতির প্রক্ষেপণের ১৫ দশমিক আট শতাংশের চেয়ে একটু বেশি। ব্যাপক মুদ্রার প্রক্ষেপণ করা হয়েছিল ১২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে সাত দশমিক আট শতাংশ; আর গড় মূল্যস্ফীতি পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশে আটকে রাখার আশা করছে। গত মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

একটি নির্দিষ্ট সময়ে দেশে অর্থের প্রবাহ কেমন থাকবে, তার ধারণা দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি ছয় মাস অন্তর আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে পরবর্তী ছয় মাসে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মূল্যস্ফীতি, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে তার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। মুদ্রানীতি চূড়ান্ত করতে অন্যান্য বছরের মতো এবারও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বিশিষ্ট ব্যাংকার, প্রাক্তন গভর্নর, প্রাক্তন মন্ত্রী, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


বিজনেস আওয়ার/এসএম

উপরে