ঢাকা, শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯, ৮ আষাঢ় ১৪২৬

প্রতি মেট্রিক টন

৮৮ হাজার টাকা ব্যয়ে উৎপাদিত চিনি বিক্রি ৫৩ হাজার টাকায়

২০১৯ জানুয়ারি ০৯ ১১:২৬:০৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জিল বাংলা সুগার মিলসের প্রতি মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনে ব্যয় হয় ৮৮ হাজার ২৮০ টাকা। তবে সেই চিনি বিক্রি করা হয় ৫৩ হাজার টাকায়। এক্ষেত্রে কোম্পানিটির প্রতি মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনে লোকসান হয় ৩৫ হাজার ২৮০ টাকা বা ৪০ শতাংশ। কোম্পানির এমতাবস্থায় ভবিষ্যতে ব্যবসা পরিচালনা করার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক।

জিল বাংলা সুগারের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষায় নিরীক্ষক এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

কোম্পানিটির ধারাবাহিক লোকসানের কারনে এরইমধ্যে সম্পদ ঋণাত্মক বা ঘাটতি হয়ে গেছে। ২০১৮ সালের ৩০ জুনে কোম্পানিটির ৩০৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বা শেয়ারপ্রতি ৪৮৯.১২ টাকা ঘাটতি হয়েছে বলে নিরীক্ষক জানিয়েছেন।

গ্রাহকের কাছে জিল বাংলার ১ লাখ ২২ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে। তবে ওই টাকা আদায় নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক। এমতাবস্থায় সম্ভাব্য লোকসানের বিপরীতে সঞ্চিতি গঠন করা দরকার হলেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তা করে না।

আরও পড়ুন....

লিবরা ইনফিউশনসে হিসাব মান লঙ্ঘন

মজুদ পণ্য নিয়ে পাওয়ার গ্রীডের প্রতারণা

জিকিউ বলপেনের ১০ কোটি টাকার বিনিয়োগে সুফল নেই

প্রাইম ইসলামী লাইফে অতিরঞ্জিত ফান্ড

সোনালি আশেঁ যত গরমিল

তিতাস গ্যাসে ৪৬ কোটি টাকার অতিরঞ্জিত মুনাফা

বিচ হ্যাচারির কর সঞ্চিতি ঘাটতি, নেই ঋণের সত্যতা

যমুনা অয়েলের স্থায়ী সম্পদের সত্যতা পায়নি নিরীক্ষক

জুট স্পিনার্সের ভবিষ্যত নিয়ে নিরীক্ষকের শঙ্কা

রপ্তানিকারক হলেও সমতা লেদারের রপ্তানি শূন্য

ইনফরমেশন সার্ভিসেসে হিসাব মান লঙ্ঘন

খান ব্রাদার্সে হিসাব মান লঙ্ঘন

দূরাবস্থার মধ্যেও ব্যবসা ভবিষ্যতেও ক্রমাগতভাবে চলবে বলে আর্থিক হিসাবে তথ্য প্রকাশ করেছে জিল বাংলা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু নিয়মিত লোকসান ও ঋণাত্মক সম্পদ নিয়ে ভবিষ্যতে ব্যবসা পরিচালনা করার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক। যদি না সরকার বিশেষ কোন সাপোর্ট দেয়।

এদিকে জিল বাংলা সুগারের আর্থিক হিসাবে এখনো পর্যন্ত ডেফার্ড টেক্স গণনা শুরু করা হয়নি।

উল্লেখ্য মঙ্গলবার (০৮ জানুয়ারি) লেনদেন শেষে জিল বাংলা সুগারের শেয়ার দর দাড়িঁয়েছে ৪৩.৯০ টাকায়।

বিজনেস আওয়ার/০৯ জানুয়ারি, ২০১৯/আরএ

উপরে