ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬


ইনফিনিটির আইপিও বাতিল, আটকে গেলো প্লেসমেন্টহোল্ডাররা

২০১৯ মার্চ ২৪ ১১:৪৩:০১

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ইনফিনিটি টেকনোলজি ইন্টারন্যাশনালের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আবেদন বাতিল করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। যা গত ১৯ মার্চ বিএসইসির উপ-পরিচালক মো. ফারুক হোসাইন সাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে ইনফিনিটি টেকনোলজি ও ইস্যু ম্যানেজার আইআইডিএফসি ক্যাপিটালকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, আবেদন করলেই যে আইপিও অনুমোদন পাওয়া যায় না, ইনফিনিটি টেকনোলজির মাধ্যমে বিএসইসি সেটা প্রমাণ করল। বাজারের স্বার্থে বিএসইসির এমন উদ্যোগ স্বাগত জানানোর মতো। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন তারা।

এর আগে ২০১৮ সালের মে মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের সভায় ইনফিনিটি টেকনোলজির আইপিও বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়। যা পরবর্তীতে বিএসইসিকে লিখিতভাবে জানানো হয়।

শেয়ারবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যে গত বছরের ১২ এপ্রিল ইনফিনিটি টেকনোলজির আইপিও আবেদন করে আইআইডিএফসি ক্যাপিটাল। তবে এই পক্রিয়া চলমান থাকাকালীন সময়েই চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি ৯ কোটি টাকার বোনাস শেয়ার ইস্যু করার জন্য বিএসইসিতে আবেদন করা হয়। যা পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ এর ৩(২)(সি) লংঘন। যে কারনে কোম্পানিটির আইপিও আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

ড্রাফট প্রসপেক্টাস অনুযায়ি, আইপিও আবেদনের আগে ইনফিনিটি টেকনোলজি থেকে ৩ দফায় প্রাইভেট প্লেসমেন্টে ১০ কোটি টাকার শেয়ার ইস্যু করা হয়। যা কোম্পানিটির আইপিও বাতিলের মাধ্যমে আটকে গেল।

বর্তমানে ইনফিনিটি টেকনোলজিতে ৩০ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন রয়েছে। এরমধ্যে প্লেসমেন্টে ইস্যুর পরিমাণ ১০ কোটি টাকা। যারমধ্যে ২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর ১ কোটি টাকার, ২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ৭ কোটি ৪০ লাখ টাকার ও একই বছরের ১৬ এপ্রিল ১ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ইস্যু করা হয়েছিল।

বিজনেস আওয়ার/২৪ মার্চ, ২০১৯/আরএ

উপরে