ঢাকা, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬


বাজারে চড়া টমেটো-শসার দাম

২০১৯ এপ্রিল ১২ ১১:৫৬:১৭

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : হঠাৎ করেই বাজারে বেশ বেড়েছে সবজির দাম। তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হওয়া পাকা টমেটো, কাঁচা পেঁপে ও শসার দামও এখন বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। তেমন কোন সবজির দাম কমেনি প্রায় সব সবজির দাম এখন বাজারে বেশ চড়া।

শুক্রবার) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০-৪০ টাকা। পাকা টমেটো মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০-৪০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ২০-২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া শসার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০-৭০ টাকা।

সবজির পাশাপাশি রাজধানীর বাজারগুলোতে দুই মাসের বেশি সময় ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি, গরু ও খাসির মাংস। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে মাংসের দাম নতুন করে না বাড়লেও ক্রেতারা স্বস্তি পাচ্ছেন না।

রামপুরার বাসিন্দা খলিল বলেন, রোজা আসতে এখনও প্রায় একমাস সময় বাকি। অথচ এখনই রোজায় যেসব পণ্যের চাহিদা থাকে সেগুলোর দাম বেড়ে গেছে। আসলে বাজারে কার্যকরি মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় ব্যবসায়ীরা এভাবে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এজন্য ভুগতে হচ্ছে সাধারণ জনগণের।

এদিকে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ব্যাপক চড়া দামে বিক্রি হওয়া পটল ও সজনে ডাটার দাম কিছুটা কমেছে। বাজার ভেদে পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০-৮০ টাকা কেজি। আর সজনে ডাটা পাওয়া যাচ্ছে ৬০-৭০ টাকা কেজির মধ্যে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-১০০ টাকা।

চড়া দামের পটল ও সজনে ডাটার দাম কিছুটা কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে বরবটি, কচুর লতি, শিম, লাউ, ধুন্দুল ও বেগুনের দাম। বরবটি গত সপ্তাহের মতো ৭০-৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ঢেঁড়স, কচুর লতি ও করলা।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বয়লার মুরগির কেজি আগের সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭৫ টাকা। লাল লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজি। আর পাকিস্তানি কক বিক্রি হচ্ছে ২৭০-২৮০ টাকা কেজি। মুরগির মত দাম অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। বাজার ভেদে গরুর মাংস ৫৩০-৫৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি।

মাংসের মতো সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের দাম। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা কেজি। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৮০ টাকা কেজি। রুই ৩৫০-৬০০, পাবদা ৬০০-৭০০, টেংরা ৭০০-৮০০, শিং ৩০০-৫০০ এবং চিতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৮০০ টাকা কেজি।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী সাইদুর বলেন, রোজা কেন্দ্রিক পণ্যের দাম যা বাড়ার তা বেড়ে গেছে, রোজার মধ্যে নতুন করে পণ্যের দাম খুব একটা বাড়বে বলে মনে হয় না। তবে শসা, বেগুন, টমেটো, পেঁয়াজ, পেঁপের দাম বাড়তে পারে। বাকি সবগুলোর দাম বাড়ার খুব একটা সম্ভাবনা নেই বরং বরবটি, পটলসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম কমবে।

বিজনেস আওয়ার/১২ এপ্রিল, ২০১৯/আরএইচ

উপরে