ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

eid-ul-fitor-businesshour24

নোংরা খেলা চলছে শৈলকুপার পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ে

২০১৯ এপ্রিল ১৩ ১০:২৯:৪৩

ঝিনাইদহের শৈলকুপার পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়াদ্দারকে নিয়ে চলছে নোংরা রাজনীতি। কথিত এক সহকারী পুরুষ শিক্ষক ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছেন। অনিয়ম করলে তদন্তে দোষি প্রমানিত হলে আমিসহ সবাই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকার শাস্তি চাই।

তবে একটি কুচক্রি মহল উদ্দের্শ্য প্রণোদিত হয়ে স্থানীয় গুটি কয়েক সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একের পর এক নিউজ করে চলেছে ; তারপরেও ওসব সাংবাদিকেরা নিউজের নীয়ম, নীতি অনুসরন না করেই একতরফা ঢালাও পত্রিকা বা অনলাইনে প্রকাশিত করছে সেটি দুঃখজনক।

নিশ্চয় অভিযুক্ত বা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের বক্তব্য নিতে হবে, সেটি অনেকেই অনুসরন করেননি। নারী শিক্ষক অনিয়ম করলে তার জন্য শিক্ষা অফিস, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও মন্ত্রনালয় আছে। তারা নিবেন ব্যবস্থা। স্কুলের ফান্ডের টাকা তছরুপ হলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কতৃপক্ষ দেখবেন, করবেন তদন্ত।

কিন্তু তার ছবি ব্যবহার করে একের পর এক নিয়ম নীতি অনুসরন না করে ওই সহকারী শিক্ষক নিজে টাকা খরচ করে নোংরা খেলে তিনি প্রধান শিক্ষক হতে চান, নাকি কোন অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছেন? সেটিও খতিয়ে দেখতে হবে প্রশাসনকে।

মনে হয়েছে, ষড়যন্ত্রকারীরা জড়িত প্রধান শিক্ষকের শাস্তি বা তদন্তের পরিবর্তে তার ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল করে সমাজে হেয় করতে উঠে পড়ে লেগেছে। এটিই মিশন, যেন লজ্জায় চাকরী ছেড়ে দেয়। তারা দিবা স্বপ্ন দেখছেন বলে মনে করি, কারন দেশে আইন, বিচার তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

তবে আমি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে দুটো কথা না লিখে পারলাম না। এই নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি লেখা পড়ার সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই সাহেবের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এলাকাবাসি ও অভিভাবকেরা।

তা না হলে একদিকে যেমন অভিযোগে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকাকে নিয়ে চলছে নোংরা খেলা, তার ছবি ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে, কিন্তু মুল কি কারন বা স্বার্থ লুকিয়ে অাছে সেটি কেও খোজ করতে যাননি।

সবাই তদন্ত করে আবারও প্রধান শিক্ষকসহ জড়িত যারা আছে অনিয়মের সাথে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে শাস্তি দাবি করছে। তা না হলে শৈলকুপার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেমন বদনাম হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার মান পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। সে কারনে সুরাহা করাটি জরুরী বলে অনেকেই মনে করেন।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা বলেছেন, এটি গভীর ষড়যন্ত্র, সমাজসহ প্রতিষ্ঠানে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে সহকারী শিক্ষকসহ কয়েকজন আদা- জ্বল খেয়ে লেগেছেন, তদন্তে সে প্রতিষ্ঠানের টাকা তছরুপ করে থাকলে প্রমান পেলে সে তার শাস্তি মাথা পেতে মেনে নিবে।

লেখক: রাজীব হাসান, সাংবাদিক।

উপরে