ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ৬ বৈশাখ ১৪২৬


পুঁজিবাজরের ২৭ কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের বঞ্চিত করেছে

২০১৯ এপ্রিল ১৪ ১০:০৩:৪১

বিজনেস আওয়ার প্র্রতিবেদক: ২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২৭ কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের বঞ্চিত করেছে। আলোচ্য বছরে কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

লভ্যাংশ না দেয়া্ কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে-অলটেক্স ইন্ডাষ্ট্রিজ, অ্যারামিট সিমেন্ট, বাংলাদেশ সার্ভিসেস, বিচ হ্যাচারি, বেক্সিমকো সিনথেটিক্স, ঢাকা ডাইং, দুলামিয়া কটন, জিবিবি পাওয়ার, গোল্ডেন সন, জুট স্পিনার্স, খুলনা প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং, মেঘনা পেট, মেঘনা কনডেন্স মিলক, মিথুন নিটিং, সাভার রিফেক্টরিজ, সোনারগাঁ টেক্সটাইল, সমতা লেদার, তাল্লু স্পিনিং, শ্যামপুর সুগার, ঝিলবাংলা সুগার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বিআইএফসি, প্রিমিয়ার লিজিং, প্রাইম ফিন্যান্স, ফাস্ট ফিন্যান্স, ফারইস্ট ফিন্যান্স এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড।

নিয়মানুযায়ী যেসব কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেয় না এবং যেসব কোম্পানির উৎপাদন দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ, সেসব কোম্পানির শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত হয়। ওইসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা মার্জিন ঋণতো পায়ই না, বেচাকেনায়ও নানা জটিলতার সম্মুখীন হয়। ফলে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এসব ‘জেড’ ক্যাটাগরি কোম্পানির বিনিয়োগকারীরা।

এ বিষয়ে বিএসইসির একজন কর্মকর্তা বলেন, কমিশনে জনবলের ঘাটতি থাকায় আর্থিক ও ব্যবস্থাপনায় দুর্বল কোম্পানিগুলোতে প্রশাসক কিংবা পর্যবেক্ষক বসানো যায়নি। তবে এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া যায় এ বিষয়ে কমিশন সম্প্রতি একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তবে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জবাবদিহিতার অভাবে কোম্পানিগুলো দীর্ঘ সময় ধরে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে। একে ‘দিনে দুপুরে ডাকাতি’ বলেও অভিহিত করেছেন তারা। সঠিকভাবে খোঁজখবর না নিয়ে ও বিচার-বিশ্লেষণ না করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করার অনুমোদন দেয়ার কারণে এসব দুর্বল কোম্পানির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদাসীনতাকে দায়ী করছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেছেন, পুঁজিবাজারের কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। এমন কোনো আইনও নেই যেখানে কোনো কোম্পানি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকলে জরিমানা হবে। অর্থাৎ কথিত আইনের মাধ্যমে বাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে দিনে দুপুরে মানুষের টাকাগুলো ডাকাতি করা হচ্ছে। তবে দেরিতে হলেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘

বিজনেস আওয়ার/এসএম

উপরে