করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
৫৪
২৬
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
১৮০
৮৫৮৭৮৫
৪৪২০২
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬


তালিকাভুক্ত ১৭ ব্যাংকের মুনাফার শতভাগ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

১০:৫৯এএম, ০৪ মে ২০১৯

রেজোয়ান আহমেদ : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৭ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০১৮ সালের ব্যবসায় অর্জিত মুনাফার শতভাগ ব্যাংকে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যে ব্যাংকগুলোর ২০১৮ সালে ৩ হাজার ৬৭৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংকগুলো হচ্ছে- ডাচ-বাংলা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, রূপালি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক ও এবি ব্যাংক।

ব্যাংকগুলোর মধ্যে ১৬টির পর্ষদ শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার ঘোষণার মাধ্যমে এই মুনাফার শতভাগই কোম্পানিতে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর মুনাফার তুলনায় লভ্যাংশ প্রদান অনুপাত (ডিভিডেন্ড পে আউট রেশিও) হবে শূন্য। আর এবি ব্যাংকের মুনাফা হলেও কোন ধরনের লভ্যাংশ ঘোষণা না করার মাধ্যমে মুনাফার শতভাগ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন....
ব্যাংকের গড় লভ্যাংশ বেড়েছে ১.৩৭ শতাংশ
ধিকাংশ ব্যাংকের ইপিএসে পতন

ব্যাংকগুলোর ২০১৮ সালে ৩ হাজার ৬৭৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার নিট মুনাফা হয়েছে। এরমধ্য থেকে শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১ টাকারও নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হবে না। যাতে মুনাফার পুরোটাই ব্যাংকগুলোতে থেকে যাবে।

বোনাস শেয়ার প্রকৃতপক্ষে কোন লভ্যাংশ না বলে সারা বিশ্বব্যাপি সমাদৃত। কারন এক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারদের কোন ধরনের সম্পদ প্রদান করতে হয় না। শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসাবে শেয়ার সংখ্যা বাড়িয়ে দিলেই হয়। যে কারনে নগদ লভ্যাংশকে উৎসাহিত করা হয়। এছাড়া নগদ লভ্যাংশ প্রদানের উপর একটি কোম্পানির সক্ষমতা বোঝা যায়।

দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) সাবেক সভাপতি দেওয়ান নুরুল ইসলাম বিজনেস আওয়ারকে বলেন, প্রকৃতপক্ষে বোনাস শেয়ারে শেয়ারহোল্ডারদের কোন বেনিফিট নেই এবং এটি কোন লভ্যাংশ না। যে কারনে তারা সাধারনত নগদ লভ্যাংশ প্রত্যাশা করে। তবে ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটের কারনে বোনাস শেয়ার দিতে পারে। এছাড়া মূলধন বাড়ানোও উদ্দেশ্য হতে পারে।

বোনাস শেয়ার ঘোষণা করা ব্যাংকগুলোর ২০১৮ সালের মুনাফার একাংশ দিয়ে পরিশোধিত মূলধন ও বাকি অংশ দিয়ে রিজার্ভ বাড়ানো হবে।

নিম্নে শুধুমাত্র বোনাস শেয়ার ঘোষণা ও লভ্যাংশ ঘোষণা না করা ব্যাংকের তথ্য তুলে ধরা হল-

ব্যাংকের নাম

২০১৮ সালের লভ্যাংশ

ইপিএস

মুনাফা (টাকা)

ডাচ-বাংলা ব্যাংক

১৫০% বোনাস

২১.০১ টাকা

৪২০.২০ কোটি

প্রিমিয়ার ব্যাংক

১৫.৫০% বোনাস

২.৮৪ টাকা

২২৭.২২ কোটি

ব্র্যাক ব্যাংক

১৫% বোনাস

৫.১৭ টাকা

৫৫৪.৪৮ কোটি

মার্কেন্টাইল ব্যাংক

১৫% বোনাস

৩.৫৯ টাকা

২৯২.৫৬ কোটি

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক

১১% বোনাস

৩.০৩ টাকা

১৭৩.৭৩ কোটি

রূপালি ব্যাংক

১০% বোনাস

১.০৯ টাকা

৪১.০৪ কোটি

ওয়ান ব্যাংক

১০% বোনাস

১.৮৪ টাকা

১৪১.০৪ কোটি

ন্যাশনাল ব্যাংক

১০% বোনাস

১.৪৫ টাকা

৩৮৪.৯৬ কোটি

শাহজালাল ইসলামি ব্যাংক

১০% বোনাস

১.৪৭ টাকা

১২৪.৭৪ কোটি

ট্রাস্ট ব্যাংক

১০% বোনাস

৩.৩৫ টাকা

১৮৬.৫৮ কোটি

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক

১০% বোনাস

১.৪৪ টাকা

১২৫.৪২ কোটি

আইএফআইসি ব্যাংক

১০% বোনাস

১.২৩ টাকা

১৬৪.৬৬ কোটি

সাউথইস্ট ব্যাংক

১০% বোনাস

২.৩৫ টাকা

২৪৭.৮১ কোটি

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক

১০% বোনাস

২.৫২ টাকা

২৬৫.৬৪ কোটি

ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক

১০% বোনাস

২.০৩ টাকা

১৫৯.১৭ কোটি

স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক

১০% বোনাস

১.৯৭ টাকা

১৫৯.৯৯ কোটি

এবি ব্যাংক

০০০

০.০৬ টাকা

৪.৫৫ কোটি

ব্যাংকগুলোর মোট মুনাফা

৩৬৭৩.৭৯ কোটি টাকা

বিজনেস আওয়ার/০৪ মে, ২০১৮/আরএ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে ১৬ ব্যাংকের বিনিয়োগ
শেয়ারবাজারে ধীরে ধীরে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ছে

উপরে