ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬


ধানকাটা শ্রমিকের অস্বাভাবিক পারিশ্রমিক কমানোর আশ্বাস

২০১৯ মে ২৪ ১১:১৭:০২

বিজনেস আওয়ার (টাঙ্গাইল প্রতিনিধি) : কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, ধানকাটা শ্রমিকের পারিশ্রমিক যে অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছে তা কমিয়ে আনা হবে। ইরিগেশনের সময় ২০ ভাগ বিদ্যুৎতের উপর বর্তুকি দেয় সরকার। দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় সেচ মালিকরা জমি চাষ করে থাকে। এটা একটা নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতি মধ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন। এর চেয়ে বেশি নিলে তারা কোন প্রণোদনা বা ভর্তুকি পাবে না।

কৃষিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যদি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারি তাহলে কৃষকের কল্যাণ ও মঙ্গলের কথা চিন্তা করে এ সমস্যাগুলো সমাধান হবে। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিগত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, প্রতিবছরই ৯-১০ হাজার কোটি টাকা রাখা হয় কৃষি প্রণোদনা হিসেবে। এটার পুরোটা ব্যবহার হয়না। ৩-৪ হাজার কোটি টাকা প্রতিবছর সেভ হয়। গত দুই তিন বছর এটা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিগত সিদান্ত দিয়েছেন এই ৩-৪ হাজার কোটি টাকা কৃষি যন্ত্রপাতিতে বর্তুকি বা প্রণোদনা দিবেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা কোনদিন রপ্তানীতে ছিলাম না, আন্তর্জাতিক বাজারে ডোকা কঠিন ব্যাপার। সেই জন্য একটা প্রণোদনা দিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছি। কিন্তু আমরা অপেক্ষা করছি ধান কাটা শেষ ঘরে তোলার পর আমরা বুঝতে পারবো কি পরিমান আমাদের উৎপাদন হয়েছে। সামনে আবার বর্ষার সময় আমনের মৌসুম শুরু হবে। সেটা বিবেচনায় রয়েছে। আবার এরই মধ্যে রপ্তানীর ঘোষনা আসতে পারে। সেই ঘোষনা আসলে বিদেশ থেকে আমদানী বন্ধ ও কেনার প্রতি জোড়দার করতে পারবো। মিলাররাও অনেক চাল আমন মৌসুমে কিনে বিক্রি করতে পারেনি। অনেকেই আবার অনেক চাল বিদেশ থেকে আমদানী করেছে। আমদানী করেও কোন সুবিধা করতে পারেনি। সেগুলো তাদের ঘরে রয়েছে। যে চাল গুলো বিদেশ থেকে এসেছে বাঁশমতি, জেসমিন। যেগুলো বড় বড় রেস্টুরেন্ট ও বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমরা আশা করছি চাল ও ধানের দামের উপরে একটু প্রভাব পড়বে, তবে একটু সময় লাগবে। অস্বাভাবিকভাবে ধানের দাম কমায় সরকারি খুবই চিন্তিত।

জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ফারুক, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের), টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের এমপি একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের এমপি তানভীর হাসান (ছোট মনির), টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসনের এমপি আহসানুল ইসলাম টিটু, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় প্রমুখ। এ সময় জেলার বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেয়র ইউএনওসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস আওয়ার/২৪ মে,২০১৯/ আরআই

উপরে