ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৬


রমজানে নফল ইবাদতের ফজিলত

২০১৯ মে ২৭ ১৪:৪৭:৫৪

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক : রমজান হলো ইবাদতের বসন্তকাল। এ মাস একমাত্র আল্লাহর জন্যই। উপবাসের পরীক্ষা দিয়ে খোদায়ী দরবারে আত্মসমর্পনের মাস রমজান। তাই রমজানে আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজগুলো আদায় করার পাশাপাশি বেশি বেশি নফল ইবাদত করাও উচিত।

বিশেষ করে রমজান মাসে যেহেতু নফল ইবাদতগুলো ফরজ ইবাদতের মর্যাদা পায়, সেহেতু বেশি বেশি নফল ইবাদত করা উচিত। ফরজ ইবাদতের ভুল ত্রুটিগুলো পূর্ণ করে দেয় নফল ইবাদত। এখানের নফল ইবাদতের মূল তাৎপর্য।

যে কোনো ইবাদতের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা। আল্লাহ তার নৈকট্য লাভের উপায় হিসেবে ইবাদতের ফরজ দায়িত্বগুলোর পাশাপাশি নফল ইবাদতের পথ খোলা রেখেছেন।

এটা বান্দাদের সুবিধার্তেই। যেন তার বান্দারা বেশি বেশি নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে নিজেদের অবস্থানকে অনেক বেশি মর্যাদাবান ও উচ্চতর করে তুলতে পারে। নফল নামাজ হচ্ছে এক ধরনের উপহার। তাই নফল নামাজগুলোকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে আদায় করা কর্তব্য।

নফল নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে কারিমে মহান আল্লাহ পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, ‘হে নবী! রাতের শেষ প্রহরে আপনি বেশি বেশি করে তাহাজ্জুদ বা নফল নামাজ আদায় করুন।’

অন্যদিকে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘রমজান মাসের যে কোনো নফল ইবাদত অন্য মাসের ফরজ ইবাদতের সমান এবং যে কোনো ফরজ ইবাদত অন্য মাসের ৭০টি ফরজ ইবাদতের সমান।’

বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে, রাতের নামাজ চেহারাকে পূত-পবিত্র ও নূরানী করে, চিন্তা বা বিমর্ষতা দূর করে এবং দৃষ্টিকে উজ্জ্বল করে। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, রাসূলে আকরাম (সা.) মৃত্যুবরণ করার প্রাক্কালে আবু যরকে (রা.) বলেছেন, ‘হে আবু যর! তোমার পয়গম্বরের সুপারিশটি সংরক্ষণ করো, যা তোমার জন্য লাভজনক। যে তার সর্বশেষ কাজ রাতের নামাজের মাধ্যমে শেষ করবে এবং মারা যাবে, বেহেশত তার জন্য নির্ধারিত।’

নফল নামাজের আরো বহু ফজিলত রয়েছে। তাই আমাদের উচিত বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া। বিশেষ করে রমজানে যেহেতু নফল নামাজের মর্যাদা ফরজ নামাজের মতো, তাই রমজান মাসই হলো নফল নামাজ পড়ার সর্বোত্তম সময়।

বিজনেস আওয়ার/২৭ মে, ২০১৯/এ

উপরে