ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬


খেলা ছাড়ার হুমকি শাহজাদের

২০১৯ জুন ১১ ১৬:৩৭:৪১

বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে ছিটকে পড়া আফগান উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শাহজাদ খেলাই ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। আফগানিস্তানের বিশ্বকাপ স্কোয়াডের অন্যতম সদস্য মারকুটে উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান শাহজাদ দলের প্রথম দুই ম্যাচে খেলেছিলেন।

এরপর গত বৃহস্পতিবার (৬ মে) এসিবি জানায়, হাঁটুর ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো খেলতে পারবেন না শাহজাদ। শাহজাদকে ‘আনফিট’ ঘোষণা করে তাঁর পরিবর্তে ১৮ বছর বয়সী ইকরাম আলি খিলকে স্কোয়াডভুক্ত করে এসিবি।

তবে শাহজাদ দাবি করছেন, জোরপূর্বক তাঁকে বাদ দিয়েছে এসিবি। এমনকি বিশ্বকাপে খেলতে না দিলে ক্রিকেট খেলাই ছেড়ে দেওয়ার কথা জানান তিনি।

বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার পর আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ফিরে স্থানীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন শাহজাদ। বিষাদভরা কণ্ঠে বলেন, ‘তারা (এসিবি) যদি আমাকে খেলতে না দেয়, তাহলে ক্রিকেটই ছেড়ে দেব।’

আর খেলব বলে মনে হয় না। বোর্ডের সমস্যাটা আমাকে সেটা জানানো উচিত ছিল। লন্ডনে একজন চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি বলেছেন দু-তিন দিন বিশ্রাম নিলেই খেলতে পারব আমি, ক্রিকইনফোর বরাত দিয়ে শাহজাদকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ কথা জানায়।

শাহজাদ আরো বলেন, ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকেও আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এবারও তাই হলো। বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলব, ক্রিকেট আর টানছে না আমাকে।

‘আনফিট’ হওয়ায় ২০১৫ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে শাহজাদকে অন্তর্ভুক্ত করেনি এসিবি। এ ছাড়া ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় ২০১৭ সালে ১২ মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা পান শাহজাদ।

শাহজাদের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়া বিষয়ে এসিবির প্রধান নির্বাহী আসাদউল্লাহ খান জানান, ম্যাচের জন্য শারীরিকভাবে সক্ষম খেলোয়াড়রাই প্রাধান্য পান।
তাঁকে (শাহজাদ) অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে বলাটা একদম ভুল কথা।

আমরা আইসিসির কাছে শাহজাদের মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়েছি। রিপোর্টে শাহজাদ আনফিট প্রমাণিত হওয়ার পর আইসিসি আমাদের বদলি খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।

এসিবি শীর্ষ কর্মকর্তা আরো বলেন, খেলার উপযুক্ত নন, এমন খেলোয়াড়কে দলের রাখার কোনো মানে হয় না। যে দুই ম্যাচ শাহজাদ খেলেছে, সে ম্যাচগুলোতেও পুরোপুরি ফিট ছিল না সে। এটা আর মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

বিজনেস আওয়ার/১১ জুন, ২০১৯/এ

উপরে