ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬


প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে রোহিঙ্গা ইস্যু

২০১৯ জুন ২৫ ১৩:৫৭:৪৫

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : প্রতিবেশী ও সর্বোচ্চ মাত্রার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে মিয়ানমারের ওপর রয়েছে অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের ব্যাপক প্রভাব। রোহিঙ্গা ইস্যুতে পুরো বিশ্ব যখন মিয়ানমারের বিরুদ্ধে, তখনও বরাবরই চীন আছে পাশে।

এমনকি অনেকে মনে করেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্ষদেও চীনের ভূমিকার কারণে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না গণহত্যায় অভিযুক্ত দেশটির বিরুদ্ধে।

সমান্তরালে চীন শক্ত কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখছে বাংলাদেশের সাথেও। রোহিঙ্গা ইস্যুতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সফর করেছেন ঢাকা। ঢাকার মন্ত্রীও গেছেন বেইজিং।

এমনকি প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের করা চুক্তির পিছনেও নেপথ্যে বড় ভূমিকা পালন করেছে চীন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন চীন সফরেও গুরুত্ব পাবে রোহিঙ্গা ইস্যু।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, মিয়ানমার যেহেতু চীনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তাদের কথা মানে তাই তারা বললে মিয়ানমার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে করবে বলে আশা করছি।

চীন আমাদের সঙ্গে যেভাবে কথা বলেছে তাতে এটি সফল হবে বলে আমরা আশাবাদী। এ সফরে আসবে ইতিবাচক অনেক কিছু।

অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, চীন এই ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে। এই সফর এই ধরণের ঘোষণার একটা উপযুক্ত সময়। চীনের মানসিকতার পরিবর্তন রাতারাতি হবে না। তাদের মধ্যে একটা উপলব্ধির দরকার আছে।

ওয়ালিউর রহমান বলেন, চীন হয়ত মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য বলতে পারে কিংবা বলতে পারে তোমরা জাতিসংঘে আসো, আমরা ভেটো দিব না।

তাদের আশাবাদ, মিয়ানমার ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং বাংলাদেশের সাথে গতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান বদল করবে চীন।

বিজনেস আওয়ার/২৫ জুন, ২০১৯/এ

উপরে