sristymultimedia.com

ঢাকা, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


পেঁয়াজের অস্থিতিশীলকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

১২:৫৫পিএম, ১৩ জুলাই ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : অন্যতম নিত্যপণ্য পেঁয়াজের চাহিদা বছরজুড়েই। তবে, হঠাৎ করে উর্ধ্বমুখী এই পণ্যের বাজার। সরকারি সংস্থা টিসিবির বাজার পর্যবেক্ষণ, খুচরা পর্যায়ে সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতিকেজিতে ২০-২৫ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

বাজারে দাম পর্যবেক্ষণ করলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের তেমন উদ্যোগ নেই বলে মনে করেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তাদের আশঙ্কা কোরবানির আগে দাম বাড়বে আরও।

দেশে এবার পেঁয়াজের উৎপাদন পর্যাপ্ত হয়েছে, এমন তথ্য চাষী-ব্যবসায়ী সবার। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ রপ্তানিকারক দেশ ভারতের বাজারেও প্রতিকেজি পেঁয়াজ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৭ টাকার মধ্যেই।

আমদানি-রপ্তানি পর্যায়ে তৈরি হয়নি কোন প্রতিবন্ধকতা। নেই কোন পরিবহন সংকটও। এরপরও এমন দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে সরবরাহ ঘাটতিকে দায়ী করা হলে, বাজার বিশ্লেষকদের কাছে নেই এর যৌক্তিক কোনো ব্যাখ্যা।

এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ হেলাল বলেন, এক সপ্তাহে ২০ টাকা বেড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক। আমার কাছে মনে হয় না এভাবে বাড়ার কোনো কারণ আছে।

ভোক্তার অধিকার ক্ষুণ্ণ করে অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি ক্যাবের। প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া বলেন, এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

জানা গেছে, বছর জুড়ে দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ২৭ থেকে ২৮ লাখ টন, আর উৎপাদন হয় ১৮ থেকে ২০ লাখ টন। আমদানি করা হয় ৭-৮ লাখ টন, যার বেশিরভাগই আসে ভারত থেকে।

সরকারি হিসাবেই এক সপ্তাহের পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২০ টাকা। বেশ বড় অংকের টাকা বেড়িয়ে গেছে ভোক্তার পকেট থেকে। বাজার ব্যবস্থাপনার এমন দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে প্রতিধাপে কার্যকর নজরদারি করতে হবে সরকারকে।

তা না হলে মাঝে মাঝে নিয়ন্ত্রণহীন এমন বাজারের লাগাম টানতে টানতেই চড়া মূল্য দিতে হবে নিত্যপণ্যের বাজারে হিমশিম খাওয়া ভোক্তাদের।

বিজনেস আওয়ার/১৩ জুলাই, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে