sristymultimedia.com

ঢাকা, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


শেয়ারবাজারের সুন্দর অবস্থান তৈরির আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

১০:৫৭পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ শেয়ারবাজারের জন্য সরকারের তরফ থেকে যা করা দরকার করা হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, হাজার হাজার মানুষ শেয়ারবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর তাদেরকে বাদ দিয়ে দেশের অর্থনীতি চিন্তা করা যায় না। একারনে তাদের সমর্থন দিয়ে আমার কাজটা হবে বাজারের একটা সুন্দর অবস্থান তৈরি করে দেয়া। বাজারকে নিজের পায়ে দাড় করানো।

শেয়ারবাজারের চলমান দুরাবস্থা এবং বিনিয়োগকারীদের আন্দোলন নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান মন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজারের জন্য আমার কাছে যা করার ছিল বাজেটে আমি তা করেছি। ডিভিডেন্টের উপর একাধিকবার করারোপ তুলে দেয়া হয়েছে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলে ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কর ছাড় দেয়া হয়েছে। বাজারকে শক্ত ভিত্তিতে দাঁড় করাতে কাজ করছে সরকার। আর বাজারের লাভ লোকশানের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কারণ বাজারে সরকারের শেয়ার খুব কম রয়েছে। এখান থেকে সরকার শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যাবে এমনটি নয়।

শেয়ারবাজারে দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার নজির নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে শক্তিশালী বা বড় বিনিয়োগকারী ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী থাকা দরকার। তবে আমাদের এখানে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সংখ্যাই বেশি। শেয়ারবাজারে দুটি পদ্ধতি আছে। একটা হচ্ছে আপনি ট্রেড করবেন লাভ করবেন। আবার আপনি ইনভেস্টমেন্ট ধরে রাখবেন যাতে ক্যাপিটাল গেইন পেতে পারেন। আমাদের এখানে দুঃখজনক যে ক্যাপিটাল গেইনের চিন্তায় করে না। আমার ১০০ টাকার শেয়ার কবে ১৫০ টাকা হবে এটা কেউ চিন্তা করে না।

তিনি আরও বলেন,পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিলে এর প্রভাব বাংলাদেশে পড়ে। ১৯২৯-৩৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে একবার ট্রেড ওয়ার হয়েছিল। সে সময় ২০ হাজার আইটেমে উপর ট্যারিফ বসানো হয়েছিল। এ কারণে বিশ্বে তখন প্রায় ৬৬ শতাংশ বাণিজ্য কমে হয়েছিল। কিছুদিন আগে চায়না-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটা সমস্যা সৃষ্টির কারণে ৪-৫ শতাংশের মত ট্রেড কমে গেছে। এসব জিনিস অনেক সময় শেয়ারবাজারে প্রভাব ফেলে। তবে সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে আসছে।

মুস্তফা কামাল বলেন, প্রত্যেক দেশেই বাজারের শেয়ার দাম কমে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভারতের পুঁজিবাজারের ইনডেক্স ১৮ হাজার থেকে ৭ হাজারে নেমে এসেছিল। সেখানে কমেছে আবার বেড়েছে। আমাদের এখানেও বেড়েছে আবার কমেছে। আমাদের পুঁজিবাজারে এখন খুব বেশি উঠানামা নেই। স্থিতিশীল রয়েছে।’

বিজনেস আওয়ার/১৮ জুলাই,২০১৯/ আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে