ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬


ফের ঊর্ধ্বমুখি সবজি-মসলার বাজার

২০১৯ জুলাই ২০ ১২:৩২:৩৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বাজারে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। গ্রীষ্মকালীন সব ধরনের সবজিতে ভরপুর বাজার। এরপরও সবজির দাম কমার পরিবর্তে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। বিক্রেতারা বলছেন, উত্তরাঞ্চলে বন্যার কারণে পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম, তাই বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি।

অন্যদিকে বেশ চড়া দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে সব ধরনের মসলা। শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর বাজার সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজারে প্রতিকেজি পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, উস্তা ৬০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ১১০ টাকা, কচুর ছড়া ৬০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, গাজর ৯০ থেকে ১২০ টাকা, বাঁধাকপি ও ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচাকলা ২৫ থেকে ৪০ টাকা হালি, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৮০ টাকা, জালি কুমড়া প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আর কাঁচামরিচের ঝাঁজ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দুইশ টাকায়। অথচ এসব সবজির দাম দুই সপ্তাহ আগেও ছিলো ৩০-৫০ টাকায়। সবজির বাড়তি দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

খিলগাঁও বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার কারণে পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কম হওয়ায় আমাদের বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। আর এ দামের প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে।

তবে এই বিক্রেতার সঙ্গে একমত না ক্রেতারা। সবজি ক্রেতারা বলেন, শীতকাল না হলেও বাজারে এখন শীতের সবজি এসেছে, সঙ্গে মৌসুমের সবজিতো আছেই। তাহলে কেনো বন্যার অজুহাত। আসলে অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দাম বাড়াচ্ছে।

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের শাক। প্রতি আঁটি লাল শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলা ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কুমড়ার শাক ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, পুঁই শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা, কলমি শাক ৭ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঈদুল আজহা আসতে তিন সপ্তাহ বাকি থাকলেও এরই মধ্যে দাম চড়া মসলার বাজারে। এসব বাজারে প্রতিকেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ থেকে ২৮০০ টাকা কেজি দরে, জয়ত্রী ২৫০০ থেকে ২৬০০ টাকায়, লবঙ্গ ৮৫০ টাকায়, গোল মরিচ ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকায়, জিরা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, দারুচিনি ৪৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে দেশি রসুন ১৭০ টাকা, ভারতীয় ১৯০ টাকা, আদা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, পিঁয়াজ দেশি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ভারতীয় ৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বিজনেস আওয়ার/২০ জুলাই, ২০১৯/এ

উপরে