sristymultimedia.com

ঢাকা, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


জামিন পেলেন না মিন্নি

১২:০৫পিএম, ২১ জুলাই ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক (বরগুনা) : বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও রিফাতের স্ত্রী মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী এ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এ মামলার প্রধান আইনজীবী ও বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী আসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, রিফাত হত্যা মামলায় মিন্নি পক্ষে বিস্তারিত শুনানি হয়েছে। আদালতে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের ৪ জন প্রতিনিধি, ব্লাস্টে পটুয়াখালী ও বরিশাল প্রতিনিধিসহ বরগুনা আদালতের ৩০ জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

রিফাত হত্যা মামলায় আজকে আমরা বিস্তারিত শুনানি করেছি। যেহেতু মিন্নি এখনো রিমান্ডে ও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন এবং রাব্বি-রিফাত ফরাজি দাবি করছে যে মিন্নি এর সঙ্গে জড়িত সে কারণে আদালত জামিন না মঞ্জুর করেছেন।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, কাল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে আমি বরগুনার এমপির চেম্বারে যাই। তিনি কিন্তু একজন আইনজীবীও বটে।

আমার সঙ্গে বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন, সেখানে বাদী পক্ষের কেউ ছিল না। তবে অতিরিক্ত পিপি আকতারুজ্জামান বাহাদুর ছিলেন। সেখানে আমাদের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কথা হয়েছে।

এ মামলার বিষয়ে কোনো হুমকি রয়েছি কি না এমন প্রশ্নে মিন্নির আইনজীবী বলেন, আসলে আজকে আপনার কোর্টে উপস্থিত থেকে থাকলে বুঝতে পারছেন, আমার মধ্যে এরকম কোনো জড়তা ছিল কি না, আর এরক কোনো চাপ থাকলে আমি আসতাম না।

এর আগে রোববার (২১ জুলাই) সকালে মিন্নির জামিন আবেদন করে আদালতের কার্যতালিকায় তোলা হয় মামলাটি। পরে বেলা ১১টার দিকে মিন্নির জামিনের জন্য শুনানি শুরু হয়।

মিন্নির জামিনের পক্ষে আদালতে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম, অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের, অ্যাডভোকেট দীপক চন্দ্র হালদার, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল নোমান, অ্যাডভোকেট সাহিদা বেগম, অ্যাডভোকেট আবদুর রশীদ ও অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান।

গেল ১৬ জুলাই আসামি শনাক্তের কথা বলে মিন্নিকে বরগুনা পুলিশ আনা হয়। পরে রাত নয়টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, বরগুনা সরকারি কলেজের সামনের রাস্তায় (২৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। বিকাল ৪টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

এ হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়। হত্যাকাণ্ডের পরের দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

এ ছাড়া সন্দেহভাজন অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এ মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এ পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

বিজনেস আওয়ার/২১ জুলাই, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

তিন বিভাগে পেট্রলপাম্প ধর্মঘট
তেল বিক্রি বন্ধ, অচল হয়ে যেতে পারে সড়কপথ

উপরে