ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬


ঝাঁঝ বেড়েছে পেঁয়াজের, বাড়তি আদা-রসুন

২০১৯ আগস্ট ২৩ ১০:৫৮:৫৩

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : ঈদুল আজহার পর দাম কিছুটা কমতে থাকে পেঁয়াজের। একইভাবে দাম কমে আদা-রসুন ও কাঁচা মরিচের। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে ফের বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুন-আদাসহ মসলার দাম। কেজিপ্রতি আদা-রসুন ও কাঁচা মরিচ ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পরে পাইকারি বাজারে মালামাল সংকট থাকায় দাম বাড়তি রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। রাজধানীর খিলগাঁও, মালিবাগ, মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি কাঁচাবাজার, শান্তিনগর ও সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

এসব বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা গেছে ৫৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে। ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে।

যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। একইভাবে কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২৫ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে রসুন। এসব বাজারে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, ভারত থেকে আমদানি করা রসুন ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া প্রতিকেজি আদার দাম বেড়েছে ১০ টাকা। দেশি আদা ২০০ থেকে ২১০ টাকা, আমদানি করা আদা (মোটা) ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরের কাঁচা মরিচ এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের পর নতুন করে বাজারে মালামাল না আসায় সংকট দেখা দিয়েছে। এতে মোকামে সব মালের দাম চড়া হওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

অপরদিকে ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট নানা অজুহাতে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। এতে তারা লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় আমাদের।

শান্তিনগর বাজারের ক্রেতা রুপা আহমেদ বলেন, ঈদের আগে সরকারিভাবে বাজার তদারকি করায় দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। এখন তদারকি নাই এজন্য ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে আবার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

খিলগাঁও বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, এখন মোকামে মালামাল সরবরাহ নাই, প্রতি ঈদের পর এ পরিস্থিতি হয়। এজন্য মোকামে দাম বেশি যার প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। তবে পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আহামরি দাম বাড়েনি।

বিজনেস আওয়ার/ ২৩ আগস্ট, ২০১৯/এ

উপরে