sristymultimedia.com

ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬


সড়কে পুলিশের প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি! সমাধান কতদূর?

০৮:৫৫এএম, ২৯ আগস্ট ২০১৯

সড়কে পুলিশের প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, পরিত্রাণের উপায় কী? ঢাকা সড়ক পথগুলো চাঁদাবাজির মহা উৎসবে পরিণত হয়েছে, চাঁদাবাজির মূল হোতা পুলিশ প্রশাসন। আমরা সড়কে নিরাপত্তার জন্য, সড়ক দুর্ঘটনা রোধের জন্য, বহু কথা বলি, বহু কর্মসূচি গ্রহণ করি, তার মধ্যে একটা কথা পত্রিকার পাতায়, সোশ্যাল মিডিয়াতে এবং টকশোতে আলোচনা হয়ে থাকে কিন্তু পুলিশের চাঁদাবাজি থেকে রেহাই পাচ্ছে না যাত্রীবাহী লোকাল গাড়ি সহ কোন গাড়ি।

প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ির কাগজপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ বিভিন্ন তথ্যাদি চেক করার নামে পুলিশ নানাভাবে হয়রানি করছে, পুলিশকে টাকা দিলে সব ঠিক। অন্যদিকে ঢাকা শহরের সাধারণ যাত্রীরা লোকাল গাড়ির স্টাফদের দ্বারা চরমভাবে বৈষম্য ও নিগৃহীতার শিকার হয়।

লোকাল গাড়ির স্টাফেরা ভাড়ার নামে সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে ও প্রতিদিন দেখা যাচ্ছে, যাত্রীর সাথে গাড়ির স্টাফদের তর্ক-বিতর্ক এমনকি হাতাহাতির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। আমরা মুখে বলছি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। রাস্তায় প্রকাশ্যে পুলিশের চাঁদাবাজি রাতে ও দিনে সবসময় দৃশ্যমান ঘটনা।

যে কেউ একটু দৃষ্টি করলেই চোখে পড়বে কি ভয়ংকর বাস্তব প্রেক্ষাপট। গাড়ির কাগজপত্র চেক করার নামে চাঁদাবাজির মহোৎসব। সড়কপথে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি যদি দুর্নীতির আওতায় না পড়ে, তাহলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পয়েন্ট আকারে উল্লেখ করে দিতে হবে কোনগুলো দুর্নীতি আর কোনগুলো দুর্নীতি নয়।

যথাযথ কর্তৃপক্ষ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধ করবো বাস্তব দৃশ্য দেখার জন্য ব্যক্তিগত গাড়ি ছেড়ে লোকাল গাড়িতে যাত্রীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে বাস্তবতা একটু পরখ করে দেখবেন । তাহলে দুষ্কৃতিকারী চাঁদাবাজি প্রশাসন ও গাড়ির স্টাফদের বিপক্ষে ব্যবস্থা নিতে অনেক সহায়ক হবে এই প্রত্যাশাই আমরা সকল দেশবাসী।

লেখক- মো: সবুর মিয়া, বেসরকারি চাকরিজীবী।

বিজনেস আওয়ার/২৯ আগস্ট, ২০১৯/এ

উপরে