sristymultimedia.com

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬


ঘর ভাঙছে সিদ্দিকের

১২:০৮পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক : ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ২০১২ সালের ২৪ মে দীর্ঘ দিনের প্রেমিকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১৩ সালের ২৫ জুন এই দম্পতির ঘরে আসে এক পুত্র সন্তান। নাম আরশ হোসেন।

কিন্তু জানা গেছে, এই দম্পতির সংসার নাকি আর বেশি দিন টিকছে না। ঘর ভাঙছে সিদ্দিক ও মিম দম্পতির। সংবাদ মাধ্যমকে এমনটি জানিয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিকের স্ত্রী মারিয়া মিম।

মিম বলেন, সে আমাকে মিডিয়াতে কাজ করতে দিতে চায় না। এছাড়া নানা কারণে আমাদের মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। আমরা কয়েক মাস ধরে আলাদাও থাকছি। তাই ডিসিশন ফাইনাল আমাদের বিচ্ছেদের। আমাদের পরিবারও এই ব্যাপারটা জেনেছে।

জানা গেছে, দুইজনের এই আলাদা থাকার সময় তাদের একমাত্র পুত্র সন্তান বাবা সিদ্দিকের সঙ্গেই থাকছে। এর আগে ১৪ অক্টোবর একাধিক ফেসবুক স্ট্যাটাসে সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মিডিয়াতে কাজ করতে না দেওয়া সহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন মারিয়া মিম।

এ বিষয়ে সিদ্দিক বলেন, ব্যক্তিগত বিষয়গুলো গণমাধ্যমে দেখে আমি খুব অবাক হয়েছি। বিভিন্ন সংসারেই এমন অশান্তি হয় আবার মিটেও যায়। আমাদেরও তেমনই হয়েছে। আমি জানি না কার প্ররোচণায় মিম গণমাধ্যমে এসব কথা বলছে।

স্বামী হিসেবে আমার কাছে মনে হয়েছে মিমের মিডিয়ায় কাজের চেয়ে সংসারে মনোযোগী হওয়াটা বেশি দরকার। আমার তো আর্থিক সংকট নেই যে আমার স্ত্রীকে কাজ করে সংসার চালাতে হবে। আমাদের স্বপ্ন একটাই সন্তানটাকে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।

এই অভিনেতা আরও বলেন, 'আমাদের ছেলের বয়স এখন ৬ বছর। এটা তার স্কুলে যাওয়ার বয়স। এই সময়ে আমরা দুজনই যদি মিডিয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি তাহলে আমাদের একমাত্র ছেলের ভবিষ্যৎটা নষ্ট হয়ে যাবে।

এ কারণে মিমকে বলেছিলাম মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে। এর বেশি কিছু না। ডিভোর্স দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি আমাদের মধ্যে। আমাদের সম্পর্কটা কেমন এটা মিডিয়ার সবাই জানে।

তিনি আরও বলেন, ঈদের সময় বাড়ি গিয়ে আর ফিরে আসেনি মিম। ডিভোর্স দেওয়ার মতো কিছু হলে সেটাতো দুই পরিবারের সবাই বসে যেটা সঠিক মনে হয় সেটাই করবে।

তবে সে যদি আমাকে ডিভোর্স দেয় সেটা তার ব্যাপার। ডিভোর্স দিয়ে কাজ করুক। তার আগে কোনোভাবেই কাজ করতে পারবে না। তবে আমি চাই, তার সঙ্গে সংসার করতে। সবকিছুর আগে নিজের পরিবার। এখন হয়তো মিম সেটা বুঝতে পারছে না।

সিদ্দিক জানান, সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করা নিয়ে ঝামেলা হয় মিমের সাথে। নিষেধ করা সত্ত্বেও সে কাজটি করতে চায়। শেষে অবশ্য বিজ্ঞাপনটিতে তার কাজ করা হয়নি। এতেই হয়তো ক্ষোভে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মিম।

বিজনেস আওয়ার/১৫ অক্টোবর, ২০১৯/এ

উপরে