businesshour24.com

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬


'দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না'

০২:৪৬পিএম, ৩০ নভেম্বর ২০১৯


বিজনে আওয়ার প্রতিবেদক : অতিরিক্ত টাকা বানানো একটা রোগ। এটা যাকে ধরে সে আরও বানাতে চায়। আর সে জন্য মানুষ অসৎ পথ বেছে নেয়। তাই দুর্নীতি করে, অবৈধ অর্থ উপার্জন করে কেউ পার পাবে না। চলমান দুর্নীতি বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। বললেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ মানুষের সেবায় কাজ করে। অন্যায়, দুর্নীতি তারা প্রশ্রয় দেয় না। আমরা চাই সৎ পথে আয় করে সবাই সম্মান অর্জন করুক। অসৎ পথে আয় করে, দুর্নীতি করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করা যায় না। অসৎভাবে আয় করলে মানুষ পেছনে গালি দেয়, বলে অসৎ, চোর। তাই এ পথ পরিহার করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মন্ত্রিত্বের পদ ছেড়ে দিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়েছিলেন জনগণের সেবা করার জন্য। কাজেই আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীর বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দীক্ষা নিতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের জন্ম মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। সরকার জনগণের জীবনযাপন উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছে।

বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা যখন বিরোধী দলে আমাদের নেতাকর্মীদের হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাড় গুঁড়ো করে দিয়েছে। চোখ তুলে নিয়েছে। বোমা মেরেছে, গ্রেনেড মেরেছে। বিএনপি ও জাতীয় পার্টি হলো খাওয়া পার্টি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বিদেশ থেকে এতিমের টাকা এসেছিল, সেই টাকা চলে গেল খালেদা জিয়ার অ্যাকাউন্টে। সেই মামলায় খালেদা জিয়া এখন জেল খাটছেন। তার ছেলেও দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন দুর্নীতির কারণে কমে গিয়েছিল। আমরা এসে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছি। তাদের কাজই হলো দুর্নীতি করা, লুটপাট করা আর মানুষকে নির্যাতন করা। হাওয়া ভবন খুলে লুটপাট করার সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা ১৯৯৬ সালে ১৫ ফ্রেব্রুয়ারির নির্বাচন করেছিল, তাদের মুখে নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা শোভা পায় না। জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ না ভোট কিংবা ৮১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় কথাই ছিল ১০টা হুন্ডা, ২০টা গুন্ডা নির্বাচন ঠাণ্ডা।

এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় ঢাকা ও ঢাকার আশপাশে থেকে আসা নেতাকর্মীদের পদচারণায় ও স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হ‌য়ে ওঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ বিভক্ত হওয়ার পরে এটাই প্রথম সম্মেলন। তাই মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে আওয়ামী লীগের দলের প্রতীক নৌকার আদলে।

বিজনেস আওয়ার/৩০ নভেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ার প্রতিশ্রুতি
আতিকুল ইসলামের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

উপরে