businesshour24.com

ঢাকা, সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৭ মাঘ ১৪২৬


মুনাফা ৬৪ শতাংশ কমা সত্ত্বেও শেয়ার দর বেড়েছে ৫৬ শতাংশ

১১:৩৬এএম, ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জাহিন স্পিনিংয়ের চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৯) শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) কমেছে ৬৪ শতাংশ। তারপরেও শেয়ারটির দর গত ৬ কার্যদিবসের ব্যবধানে বেড়েছে ৫৬ শতাংশ। সাধারন বিনিয়োগকারীদেরকে ফাদেঁ ফেলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য একটি চক্র শেয়ারটির উত্থানে ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি অর্থবছরের ৩ মাসে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ০.১০ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ০.২৮ টাকা। এ হিসাবে ইপিএস কমেছে ০.১৮ টাকা বা ৬৪ শতাংশ। তারপরেও শেয়ারটি টানা উত্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে গত ২৪ নভেম্বর জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ার দর ছিল ৫.৯০ টাকা। যা ২ ডিসেম্বর লেনদেন শেষে দাড়িঁয়েছে ৯.২০ টাকা। এ হিসাবে ৬ কার্যদিবসে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৩.৩০ টাকা বা ৫৬ শতাংশ।

এদিকে মঙ্গলবারও (০৩ ডিসেম্বর) জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ার দর উত্থানে রয়েছে। এদিন সকাল সাড়ে ১১টায় শেয়ারটি ৯.৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। অর্থাৎ ৬.৫২ শতাংশ দর বেড়েছে।

এর আগে কোম্পানিটির ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রান্তিকগুলোতে ধারাবাহিকভাবে শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) কমেছে। কোম্পানিটির ওই অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ১৮) ০.৩১ টাকার ইপিএস দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ১৮) কমে হয় ০.১৯ টাকা। যা তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ ১৯) ০.১৩ টাকা ও চতুর্থ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন ১৯) ০.০৫ টাকা হয়। এরমাধ্যমে পুরো অর্থবছরটিতে ইপিএস হয়েছে ০.৬৩ টাকা। যার পরিমাণ আগের অর্থবছরে ছিল ১.১৭ টাকা।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির ৫ বছরেও বোনাস শেয়ার থেকে বের হতে পারেনি জাহিন স্পিনিং। সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ব্যবসায়ও বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এভাবে কোম্পানিটির পর্ষদ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পরে প্রতিবছরই মুনাফার শতভাগ রেখে দিচ্ছে। তারপরেও নিয়মিতভাবে মুনাফা ও লভ্যাংশ কমছে।

এই কোম্পানিটি প্রতিটি ১০ টাকা করে ২টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইস্যু করতে চায়। এক্ষেত্রে শেয়ারবাজারে ৪ কোটি ৯২ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫০টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ৪৯ কোটি ২৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা উত্তোলন করতে চায়। অথচ কোম্পানিটির শেয়ার সেকেন্ডারি মার্কেটে অভিহিত মূল্যের নিচে পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে গত বছরের ৭ মার্চ কোম্পানিটি ১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট ইস্যুর মাধ্যমে ৯৮ কোটি ৫৫ লাখ ২৭ হাজার টাকা উত্তোলন করার অনুমতি পেয়েছিল। এ জন্য প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ টাকা। তবে গতবছরের ২২ জুলাই কোম্পানির আবেদনের প্রেক্ষিতে রাইট শেয়ারের সাবস্ক্রিপশন পূর্ব-নির্ধারিত তারিখ বাতিল করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটিকে সিকিউরিটিজ আইন পরিপালনপূর্বক পুনরায় সংশোধিত রাইটস শেয়ার প্রস্তাবের আবেদন কমিশনে দাখিল করতে বলা হয়।

বিজনেস আওয়ার/০৩ ডিসেম্বর, ২০১৯/আরএ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে