businesshour24.com

ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ৫ মাঘ ১৪২৬


লাইসেন্স পায়নি বেঙ্গল কমার্শিয়াল ও সিটিজেন ব্যাংক

০২:২২পিএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ সম্মতিপত্র (এলওআই বা লেটার অব ইনটেন্ট) পাওয়া দুটি ব্যাংক শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় চূড়ান্ত লাইসেন্স দেয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক দুটি হলো- বেঙ্গল কমার্শিয়াল ও সিটিজেন ব্যাংক। প্রদর্শিত আয়ে মূলধন সরবরাহসহ বেশ কিছু শর্তে চলতি বছরের মার্চ মাসে ব্যাংক দুটিকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এলওআই দেওয়ার পর ব্যাংকগুলোকে কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে লিমিটেড কোম্পানি গঠন করা, ৫০০ কোটি টাকা ডিপোজিট করা অন্যতম। এসব শর্ত পূরণ করলে তাদের চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে। কিন্তু ব্যাংক দুটি শর্ত মেনে তথ্যাদি সরবরাহ করতে পারেনি। তাই চূড়ান্ত অনুমোদনের সিদ্ধান্ত আবারও পিছিয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য আরও সময় চেয়েছে ব্যাংক দুটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সময় চাওয়ার বিষয়টি উঠলে তা অনুমোদিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্য পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। সবার সম্মতিতে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংককে দুই মাস এবং সিটিজেন ব্যাংককে তিন মাস সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ সময়ের মধ্যে প্রদর্শিত আয়ে মূলধন জোগান, কোম্পানি গঠনসহ সব শর্ত পূরণ করে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর জন্য আবেদন করতে হবে ব্যাংক দুটিকে।

চলতি বছরের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে এলওআই পায় বেঙ্গল ও সিটিজেন ব্যাংক। এলওআই পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরুর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কথা ছিল। তাতে ব্যর্থ হওয়ায় এর আগে গত সেপ্টেম্বরে তিন মাস করে সময় নেয় ব্যাংক দুটি। নতুন করে আরও তিন মাসের সময় চেয়ে আবেদন আসে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি খাতে নতুন করে তিনটি ব্যাংক অনুমোদন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। সিদ্ধান্তের আলোকে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ও সিটিজেন ব্যাংককে চূড়ান্তভাবে এলওআই দেওয়া হলেও পিপলস ব্যাংকের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন কারণে পিপলস ব্যাংককে এখন পর্যন্ত এলওআই দেয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

ঋণখেলাপি সেই জিএমের শাস্তি মওকুফের আবেদন নাকচ : বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সহকর্মীদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরিচ্যুত মহাব্যবস্থাপক (জিএম) প্রভাষ চন্দ্র মল্লিকের আবেদন নাকচ হয়েছে। সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বরাবর আবেদন করেন তিনি। গতকালের বৈঠকে তার এ আবেদনের বিষয়ে আলোচনা শেষে তা নাকচ হয়। চলতি বছরের ৩ মার্চ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের এক আদেশে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এর ফলে তিনি চাকরি পরবর্তী কোনো সুযোগ-সুবিধা পাননি।

বিজনেস আওয়ার/৫ ডিসেম্বর, ২০১৯/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে