businesshour24.com

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২০, ১৬ মাঘ ১৪২৬


পেঁয়াজ ও চালে অস্বস্তি, দাম কমেছে সবজির

০৯:৪৮পিএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : সপ্তাহজুড়ে নিত্যপণ্যের দাম ছিল বাড়তি। পেঁয়াজের বাজার অপরিবর্তিত থাকলেও কেজি প্রতি বিভিন্ন জাতের চালের দাম বেড়েছে ২ থেকে ৫ টাকা। তবে কমেছে শীতের সবজির দাম। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর কাঁচাবাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজারে প্রতিকেজি মিনিকেট প্রতিকেজি ৫০ টাকা যা গত দিনের তুলনায় ৫ টাকা বাড়তি, আটাশ চাল প্রতিকেজি ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে যা গতদিনের তুলনায় বাড়তি ২ টাকা, নাজিরশাইল জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজি বাড়তি ২ টাকা এবং পোলার চাল কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে বর্তমান দাম ১০০ টাকা কেজি।

গতদিনের তুলনায় সবজি কেজি ও পিস প্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি করতে দেখা গেছে। ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, লাউ ৫০-৬০, ফুলকপি ৪০-৫০, বাঁধাকপি ৪০ পিস, লতি ৫০-৬০ টাকা কেজি, নতুন আলু ৪০-৫০, মুলা ৩০-৪০, গাজর ৪০-৫০, করলা ৫০-৬০, ঢেড়স ৫০-৬০, শিম ৪০, পটল ৫০।

কাঁচা মরিচ ৫০-৬০, পেপে ২৫-৩০, শসা ৬০, বেগুন ৪০-৫০, ঝিঙা ৭০-৮০, বরবটি-৭০-৮০, ধনিয়া পাতা ৮০, চিচিঙ্গা ৫০-৬০, পুরাতন আলু ২৫ টাকা আর টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে। প্রতি আঁটি মুলা শাক ১০, লাল শাক ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে তবে পুঁই শাক ২০ টাকা, পাট শাক ১০-১৫ টাকা, লাউ শাক ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাতাসহ নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজিতে, দেশি পেঁয়াজ ২৫০ টাকা, মিশরের পেঁয়াজ ১৪০, তুরস্কের পেঁয়াজ ১২০ টাকা এবং বার্মার পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজি দরে। প্রতি কেজি চায়না রসুন ১৫০, দেশি ১৯০, এক দানা ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিউমার্কেটের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, সপ্তাহের শুরুর দিনের চেয়ে আজকে সবজির দাম কেজি বা পিস প্রতি ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে পেঁয়াজের দামটা আরও দুই মাস এমনই থাকবে বলে মনে করেন এই সবজি বিক্রেতা।

মাছ বিক্রি হচ্ছে- রুই ২০০ টাকা কেজি, কাতলা ২০০, শোল মাছ ৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা কেজি, ইলিশ ৮০০, শিং ৪০০ ও চিংড়ি ৫৫০ টাকা কেজিতে।

মাংস বিক্রি হচ্ছে- গরু ৫৫০, খাসি ৮০০ আর বকরির মাংস ৭৫০ টাকা কেজি। ব্রয়লার মুরগি ১২০, লেয়ার ২০০, দেশি ৪২০, পাকিস্তানি ২৪০। ডিম ৩২ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।

নিউমার্কেটে বাজার করতে আসা এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, যেভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে সেভাবে তো আমাদের বেতন ভাতা বাড়ছে না। যা বাড়ছে তা তো বাজারের বাড়তি দাম মেটাতেই চলে যায়। তাহলে বেতন বাড়িয়ে লাভটা কি? যতদ্রুত সম্ভব সাধারণ জনগণের কথা চিন্তা করে দ্রব্যমূল্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা উচিত।

বিজনেস আওয়ার/০৫ ডিসেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে