businesshour24.com

ঢাকা, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ১৬ মাঘ ১৪২৬


'ভারত আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ার মতো কিছু করবে না'

০৪:১৬পিএম, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভারত এমন কিছু করবে না যাতে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) জাতীয় জাদুঘরে ৭১ -এর মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা সভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন এ কথা বলেন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি (ঘাদানি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, এই দিনেই ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে ইতিহাস রচনা করেছে। ভারতের অবদান ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অকল্পনীয়। ভারত এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে তা তুলনাহীন।

ভারতের প্রায় ১৭০০ সৈন্য মুক্তিযুদ্ধের সময় আত্মত্যাগ করেছেন। বিগত এক দশকে দুই সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোনালী যুগ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

ভারতের আসাম রাজ্যে নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) তৈরির প্রেক্ষাপটে সেখান থেকে শত শত মানুষ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। যদিও এনআরসিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলেই উল্লেখ করে আসছে ঢাকা।

মোমেন বলেন, আমাদের দেশের জনগণের যে প্রত্যাশা, বন্ধুপ্রতিম ভারত এমন কিছু করবে না যাতে দেশের জনগণের মধ্যে দুশ্চিন্তা বা আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পারস্পারিক বন্ধুত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং ভারত এগিয়ে যাবে। উভয় দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

তিনি বলেন, আজ আমরা বাংলাদেশকে ভারতের স্বীকৃতি দেওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে একত্রিত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় এই দু’দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা ও বোঝাপড়ায় অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে দৃঢ়তর জায়গায় রয়েছে। যার ফলে পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত এক দশকে আমাদের উভয় দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় আসীন হয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোনালী অধ্যায় বলে আখ্যায়িত করেছেন এ সম্পর্ককে। আমাদের দু’দেশের সরকারপ্রধানের অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নিঃসন্দেহে আরও অনেক অনেক বেশি শক্তিশালী করেছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাবেক ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাশ, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির প্রমুখ।

বিজনেস আওয়ার/০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

২শ জনকে বাংলাদেশে না আসার নির্দেশনা
পর্যবেক্ষণে পদ্মাসেতু প্রকল্পের ২২ চীনা নাগরিক

স্ট্যাটাস দিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা
'পাত্রীর মা ভালো না হলে, পাত্রী ভালো হবে না'

উপরে