businesshour24.com

ঢাকা, সোমবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬


সচিবালয়ের পাশে হর্ন বাজালেই জেল-জরিমানা

০২:৫৩পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ সচিবালয়ের চারপাশের এলাকাকে 'নো হর্ন জোন' ঘোষণা করেছে সরকার। এরপর থেকে ওই এলাকায় হর্ন বাজালে এক মাসের কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। রোববার (৮ ডিসেম্বর) এক আলোচনা সভায় পবিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. বিল্লাল হোসেন এসব তথ্য জানান।

এর আগে গত ২৫ নভেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় চলতি বছরের ১৭ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ সচিবালয়ের চারপাশ 'নীরব জোন' হিসাবে কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়।বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের অধীনে প্রণীত 'শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬' অনুযায়ী 'নীরব এলাকা' বলতে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত বা একই জাতীয় অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান এবং এর চারিদিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, বিধিমালা (শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা) অনুযায়ী 'নীরব জোন' এলাকায় হর্ন বাজালে প্রথমবার সর্বোচ্চ ১ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধ পরবর্তী সময়ে করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণার সময় থেকেই মোবাইল কোর্ট রাখতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রচারণার জন্য টেলিভিশনে স্ক্রল, ফেসবুকে প্রচারণা, মোবাইলে ম্যাসেজ প্রদান এবং লিফলেট বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সব মন্ত্রণালয়কে চিঠি লিখব, যাতে তাদের কর্মকর্তাদের গাড়ির চালকেরা সচিবালয়ের আশপাশে হর্ন না বাজায়। এছাড়া সচিবালয়ের ভেতরেও লিফলেট বিতরণ করা হবে। বাস চালকদের সচেতন করতে মতিঝিল, গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হবে।

সভায় জানানো হয়, জিরো পয়েন্ট, পল্টন মোড়, সচিবালয় লিংক রোড হয়ে জিরো পয়েন্ট এলাকা নীরব জোন বা নো হর্ন জোন হিসাবে হর্ন বাজানো যাবে না। নীরব জোন হিসাবে কার্যকরের জন্য সচিবালয়ের চারপাশ অর্থাৎ জিরো পয়েন্ট, পল্টন মোড়, সচিবালয় লিংক রোড হয়ে জিরো পয়েন্ট এলাকায় চারটি নীরব চিহ্নিত সাইন বোর্ড স্থাপন করা হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) প্রতিনিধিরা।

বিজনেস আওয়ার/০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

স্ট্যাটাস দিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা
'পাত্রীর মা ভালো না হলে, পাত্রী ভালো হবে না'

সিএএ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী
'বুঝতে পারছি না কেন ভারত এটা করল'

উপরে