businesshour24.com

ঢাকা, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ১৬ মাঘ ১৪২৬


ডাকসু ভিপির পদত্যাগ চান রাব্বানী, নুরের 'না'

০৫:৫২পিএম, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ সংবাদ মাধ্যমে ফোনালাপের তথ্য প্রকাশকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগ এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরের পদত্যাগ চেয়েছেন জিএস গোলাম রাব্বানী। যদিও জিএস রাব্বানী আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ হারিয়েছেন।

রোববার (০৮ ডিসেম্বর) ডাকসু ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এ আহ্বান জানান ছাত্রলীগ প্যানেল থেকে নির্বাচিত সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে রাব্বানী বলেন, আমরা ডাকসু পরিবার নূরের এই অপকর্মের দায়ভার নিতে রাজি নই। আমাদের আহ্বান থাকবে, নুর যেন তার ডাকসুর ভিপির পদ থেকে অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করেন। তিনি যদি পদত্যাগ না করেন তাহলে আমরা ডাকসুর সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ডাকসুর সভাপতির প্রতি আহ্বান জানাবো তিনি যেন নৈতিক স্খলনের দায়ে নুরকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা করেন।

এদিকে গোলাম রাব্বানীর সংবাদ সম্মেলনের পর পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি পদত্যাগ করবে না।

ডাকসু চত্বরে ভিপি নুরুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে অভিযোগ আনলে কিছুই হবে না। সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ দেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ৯ মাস কাজ করতে পারিনি বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা ঠিক আছে। কারণ প্রত্যেকটি কাজে ছাত্রলীগ বাধার সৃষ্টি করেছে।

ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী প্রসঙ্গে নুর বলেন, তার বিরুদ্ধে স্পষ্ট চাঁদাবাজি, আর্থিক কেলেঙ্কারি ও মাদকাসক্তির অভিযোগে ছাত্রলীগ থেকে তাকে পদচ্যুত করা হয়েছে। তিনি (রাব্বানী) বলেছেন– ডাকসুতে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে, আমি এক টাকাও খরচ করিনি।

জবাবে ডাকসু ভিপি বলেন, আমাকে নামেমাত্র ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এক টাকাও হাতে পাইনি। আমি ছোট ছোট তিনটি বাজেট করেছিলাম।

শুধু ছাত্রলীগ নয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকেও দ্বিমুখী আচরণের শিকার হয়েছি জানিয়ে ভিপি নুর বলেন, 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ক্রীড়ায় নৈপুণ্য দেখিয়েছে, সেই ছাত্রীকে একটি রেসিং সাইকেল দেয়ার জন্য সুপারিশ করেছি। সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ট্যুরের জন্য ১০ হাজার টাকা, সুফিয়া কামাল হলের মেয়েদের র্যা গ ডে’র জন্য ১০ হাজার টাকা সুপারিশ করেছিলাম। সেই টাকাটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনও পর্যন্ত দেয়নি। এই টাকাটা ভিপির বাজেট থেকে যাবে। কিন্তু তারা ভিপিকে কাজ করতে দিচ্ছে না।'

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা সবসময় ডাকসুকে ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চেয়েছে। নুর বলেন, ডাকসুর প্রোগামের ব্যানারে ভিপির নাম থাকে না গেস্ট হিসেবে। সেখানে নাম থাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতির, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতির।

নুর আরও বলেন, ডাকসুর প্রোগ্রামে আওয়ামী লীগের লোকের বাইরে এখনও পর্যন্ত নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে আনা হয়নি। তারা শুরু থেকে এই ডাকসুকে ডাকসু লীগ বানাতে চেয়েছে।

বিজনেস আওয়ার/৮ ডিসেম্বর, ২০১৯/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ার প্রতিশ্রুতি
আতিকুল ইসলামের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

উপরে