businesshour24.com

ঢাকা, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৩ মাঘ ১৪২৬


চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে লিভারপুল

০৮:১৯এএম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক : উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে রেডবুল সলজবুর্গের মাঠে হারলেই বিদায় নিতে হতো গত আসরের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের। তবে কোন অঘটন ঘটতে দেয়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সলজবুর্গকে ২-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকেট কাটে অলরেডরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণে খেলতে থাকে দুই দল। পঞ্চম মিনিটেই গোল পেতে পারতো লিভারপুল। দিয়ান লভরেনের লম্বা পাস পেয়ে বাঁ প্রান্ত থেকে লক্ষ্যে দারুণ শট নিয়েছিলেন মোহাম্মদ সালাহ।

কিন্তু তার চেয়েও দারুণ দক্ষতায় তা ফিরিয়ে দেন সলজবুর্গ গোলরক্ষক সিসান স্তানকোভিচ। পরের মিনিটে বাঁ প্রান্তে সাদিও মানের নেওয়া শট অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি। সপ্তম মিনিটে পর লিভারপুলকে দুই দফা রক্ষা করেন গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার।

পরের মিনিটেও গোল করার সুযোগ ছিল লিভারপুলের সামনে। মানের দূরপাল্লার শট বার পোস্ট ঘেঁষে বাইরে গেলে হতাশা বাড়ে সফরকারীদের। ম্যাচের ১৯তম মিনিটে মানের শট ঝাঁপিয়ে দক্ষতার সাথে ঠেকান সলজবুর্গ গোলরক্ষক।

পাঁচ মিনিট পর হালান্ডের কোণাকোণি শট দারুণ দক্ষতায় ফেরান অ্যালিসন। ২৮তম মিনিটে অবিশ্বাস্য এক মিস করেন সালাহ। নেবি কেইটার বাড়ানো বলে ফাঁকায় বল পেয়েও বাইরে মারেন এ মিসরীয় তারকা।

ম্যাচের যোগ করা সময়েও গোল পেতে পারতো সফরকারীরা। সালাহর বাড়ানো বলে ভালো শট নিয়েছিলেন কেইটা। কিন্তু গোলরক্ষক স্তানকোভিচ। বিরতির দুই মিনিট পর এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ মিস করেন সালাহ।

তিন মিনিট পর আবারো ফাঁকায় প্রায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন সালাহ। কিন্তু গোলরক্ষক এগিয়ে এসে রক্ষা করেন স্বাগতিকদের। পরের মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে নেওয়া হালান্ডের শট বাইরের জাল কাঁপায়।

ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে এসে কাঙ্ক্ষিত গো্লের দেখা পায় লিভারপুল। রবার্টসনের বাড়ানো বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষক স্তানকোভিচের মাথার উপর দিয়ে কেইটাকে কাটব্যাক করেন মানে। দারুণ হেডে লক্ষ্যভেদ করতে কোন ভুল করেননি গিনির এ মিডফিল্ডার।

ব্যবধান দ্বিগুণ করতে খুব বেশি সময় নেয়নি লিভারপুল। দুই মিনিট পর গোল করেন সালাহ। গোলরক্ষককে কাটিয়ে দুরূহ কোণ থেকে দারুণ এক শটে গোল দেন এ মিসরীয় তারকা। ৬৭তম মিনিটে হুয়াংয়ের দূরপাল্লার শট ঠেকিয়ে দেন অ্যালিসন।

১০ মিনিট পর সালাহর আরও একটি শট ঠেকিয়ে দেন স্তানকোভিচ। ৮২তম মিনিটে মানের শট ফিরিয়ে দেন এ গোলরক্ষক। ছয় মিনিট পর তো অবিশ্বাস্য এক মিস করেন মানে। যোগ করা সময় সালাহর শট অল্পের জন্য বাইরে না গেলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো।

বিজনেস আওয়ার/১১ ডিসেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে