businesshour24.com

ঢাকা, সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৭ মাঘ ১৪২৬


কালজয়ী নির্মাতা আমজাদ হোসেনকে হারানোর এক বছর আজ

০৩:৫২পিএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক : একাধারে পরিচালক, প্রযোজক, নাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, লেখক ওঅভিনেতা ছিলেন তিনি। তার হাত ধরে ঢাকাই ছবি সমৃদ্ধ হয়েছে নির্মাণে ও গল্পে। তিনিকালজয়ী নির্মাতা আমজাদ হোসেন। আজ এই গুণী নির্মাতাকে হারানোর এক বছর। গতবছরের ১৪ ডিসেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি দেন তিনি।

১৯৪২ সালের ১৪ আগস্ট, জামালপুরের এক সম্রান্ত পরিবারে জন্ম নেন আমজাদ হোসেন। দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি 'ভাত দে', 'গোলাপী এখন ট্রেনে', 'সুন্দরী', 'নয়নমণি', 'দুই পয়সার আলতা', 'জন্ম থেকে জ্বলছি'র মতো কালজয়ী সিনেমা নির্মাণ করেছেন।

১৯৬১ সালে 'হারানো দিন' চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন তিনি। পরে চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় আসেন। তার প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র 'আগুন নিয়ে খেলা', ছবিটি পরিচালনা করেন ১৯৬৭ সালে। বাকিটুকু ইতিহাস।

স্বীকৃতি হিসেবে 'গোলাপী এখন ট্রেনে' ও 'ভাত দে' চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেছে।

এছাড়াও সাহিত্য রচনার জন্য তিনি ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার অগ্রণী শিশু সাহিত্য পুরস্কার ও ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

গত বছর ১৮ নভেম্বর আমজাদ হোসেন ব্রেন স্ট্রোক করলে তাকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বেশ কিছুদিন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। এরপর তার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উন্নত চিকিৎসার খরচ বাবদ নন্দিত এই নির্মাতার পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকা এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া বাবদ ২২ লাখ টাকা দেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ব্যাংককে নিলেও আর শেষ রক্ষা হয়নি।

নানা পরিচয় ও গুণে বিকশিত হলেও আমজাদ হোসেন নিজেকে চলচ্চিত্রের মানুষ ভাবতেই তৃপ্তি বোধ করতেন। চলচ্চিত্রকে তিনি ভালোবাসতেন সন্তানের মতো। চলচ্চিত্রও তাকে দুহাত ভরে দিয়েছিলো; নাম-যশ-সম্মান।

বিজনেস আওয়ার/১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে