ঢাকা, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬


গ্রেফতারের জন্যই তড়িঘড়ি করে রিলিজ দেওয়ার অভিযোগ নুরের

০২:৫৯পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : গ্রেফতারের আশঙ্কা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতারের জন্যই তড়িঘড়ি করে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ঢামেক হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।

ডাকসু ভবনে হামলার শিকার হয়ে এতদিন ঢামেকে ভর্তি ছিলেন ভিপি নুর। আজ দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। ছাড়া পেয়ে হাসপাতাল ভবনের নিচে ভিপি নুর সাংবাদিকদের বলেন, আমার ডাকসুর মেয়াদ আর তিন মাস বাকি আছে। ইতোমধ্যে আমার নামে আইসিটি অ্যাক্টে মামলা দেয়া হয়েছে। আমাকে যাতে অ্যারেস্ট করা হয়, আমি যাতে জামিন না পাই, সেজন্য তড়িঘড়ি করে আমাকে রিলিজ দেয়া হয়েছে।

ভিপি নুর বলেন, ঘটনার দিন লাইট বন্ধ করে আমাদের মারধর করে ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত ও সেক্রেটারি সাদ্দাম। তারা আমার ভাই আমিনুরকে পিস্তলের বাট দিয়ে মেরে তিন তলা থেকে ফেলে দেয়। অন্যদেরকেও এভাবে মেরেছে। সরকারের দুঃশাসন ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম কথা বলায় আমাকে হত্যা করতে চেয়েছে।

তিনি বলেন, আমি হাঁটতে পারি না, সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি না। কাশি দিলে পাঁজরে ব্যথা পাই। মাথা ঘোরে, চোখে ঝাপসা দেখি। আমার চিকিৎসার ব্যাপারে সন্দেহ আছে। আমাকে মেরে ফেলার জন্য আটবার হামলা করা হয়েছে। এগুলো করা হচ্ছে সরকারের ইশারায়।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগ যেভাবে হামলা করেছে যদি এদের বিচার না হয়, তাহলে অন্য সরকার আসলে এভাবেই চলতে থাকবে। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের যেন বিচার হয়। ছাত্রলীগকে নিয়ে যেভাবে সাফাই গাওয়া হচ্ছে…আমাকে মেরে ফেলার যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র।

এগুলো সরকারের ইশারাতে হচ্ছে বলে মনে করেন ভিপি নুর। তিনি বলেন, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে কয়েকবার মারধরের ঘটনা হয়েছে। এগুলোর কোনো বিচার হয়নি। সরকারের বিরুদ্ধে এবং ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কথা বলায় আমার ওপর হামলা হচ্ছে। কথা না বলার জন্য নেতা ও গোয়েন্দারা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়েছে। এখন মনে হচ্ছে, মৃত্যু নিশ্চিত করতে আমার ওপর প্রলোভন দেখিয়েছে। এখন মনে হচ্ছে, মৃত্যু নিশ্চিত করতে আমার ওপর বারবার হামলা করা হচ্ছে। মামলা করতে গেলে (পুলিশ) মামলা নেয়নি। পরে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হলো।

বিজনেস আওয়ার/৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে